‘ধারেভারে আমরা এগিয়ে থাকলেও, ডমিনেট করেছে ইস্টবেঙ্গল’, স্বীকারোক্তি মোহনবাগান কোচের
ম্যাচের পর অবশ্য প্রতিপক্ষকেই প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন কলকাতা লিগে মোহনবাগানের কোচ বাস্তব রায়। তাঁর মতে, নিজেরা প্রত্যাশা অনুযায়ী খেললেও ইস্টবেঙ্গল দ্বিতীয়ার্ধে যে ভাবে ম্যাচে ফিরেছে, তার প্রশংসা করতেই হবে। বাস্তব বলেও দেন, ‘মোহনবাগান নিজেদের সেরাটা দিয়েছে। তবে ইস্টবেঙ্গলকেও কৃতিত্ব দিতেই হবে। ওরা খুব ভালো খেলেছে। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গল আমাদের ডমিনেট করে ম্যাচটা নিয়ন্ত্রণ করেছে।’
প্রথমার্ধে মোহনবাগান কিছুটা স্বস্তিতে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে হাতছাড়া হয়। ইস্টবেঙ্গলের তরুণ ফুটবলাররা সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আক্রমণের গতি বাড়াতে থাকে। মোহনবাগানের মাঝমাঠের ফুটবলাররা অনেকটা পিছনে নেমে যাওয়ায় দুই দলের মধ্যে ব্যবধানও তৈরি হয়। বাস্তবের ব্যাখ্যাতেও সেই জায়গাটাই উঠে এসেছে। তিনি বলেন, ‘আপুইয়া, তন্ময়রা অনেকটা নিচে নেমে যাওয়ায় মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ইস্টবেঙ্গলের হাতে চলে যায়। ওই জায়গাতেই ওরা কিছুটা এগিয়ে যায়। আমাদের মার্কিংয়ের ভুলে একটা গোলও খেতে হয়েছে। তবে ফুটবলে এমনটা হতেই পারে। ইস্টবেঙ্গলকে পুরো কৃতিত্ব দিতেই হবে। ওরা দারুণ লড়াই করেছে।’
ইস্টবেঙ্গলের প্রথম একাদশে প্রথম সারির কোনও ফুটবলার ছিলেন না। জয় বাজ়, চাকু মান্ডি, আকাশ হেমরম, বিজয় মুর্মুদের মতো তরুণদের উপরেই ভরসা রেখেছিল লাল-হলুদ শিবির। অন্য দিকে মোহনবাগানের প্রথম একাদশে ছিলেন মেহতাব সিংহ, রাহুল ভেকে, শুভাশিস বসু, আপুইয়া, আব্দুল সাহাল সামাদ এবং মনবীর সিংহের মতো অভিজ্ঞ ফুটবলার। ফলে কাগজে-কলমে শক্তির বিচারে মোহনবাগানই অনেকটা এগিয়ে ছিল। কিন্তু মাঠে সেই পার্থক্য দেখা গেল না।