নেপালের মত হিন্দু দেশে চরমপন্থী মুসলিম নেতা মামুনুল হকের সফর ঘিরে বাড়ল উত্তেজনা - 24 Ghanta Bangla News
Home

নেপালের মত হিন্দু দেশে চরমপন্থী মুসলিম নেতা মামুনুল হকের সফর ঘিরে বাড়ল উত্তেজনা

Spread the love

কাঠমান্ডু: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও চরমপন্থী (Mamunul Haque)সংগঠন হেফাজতে ইসলামের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা আল্লামা মামুনুল হক সম্প্রতি নেপালে পৌঁছেছেন। তাঁর ফেসবুক পেজ ও স্থানীয়…

কাঠমান্ডু: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও চরমপন্থী (Mamunul Haque)সংগঠন হেফাজতে ইসলামের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা আল্লামা মামুনুল হক সম্প্রতি নেপালে পৌঁছেছেন। তাঁর ফেসবুক পেজ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, তিনি দুই দিনের সফরে কাঠমান্ডু গেছেন। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন দলের সহসভাপতি সহ কয়েকজন সহকর্মী।

সফর শেষে তিনি দ্রুত দেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।এই সফরকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের আলোচনা ও জল্পনা তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ এটিকে নিছক ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত সফর বলছেন, আবার কেউ কেউ এর পেছনে বৃহত্তর উদ্দেশ্য খুঁজছেন। অনেকেই বলেছেন নেপালের মত হিন্দু প্রধান দেশে ইসলাম এবং চরমপন্থী শরীয় আইন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্যেই তার এই সফর।

আরও দেখুনঃ যুদ্ধের তহবিল ভরতে পর্ন-শিল্পে আইনি সিলমোহর! কর আদায়ে তৎপর ইউক্রেন

মামুনুল হকের (Mamunul Haque)সঙ্গে তালিবান নেতৃত্বের যোগাযোগের বিষয়টি আগে থেকেই আলোচিত। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি অন্য কয়েকজন আলেমের সঙ্গে আফগানিস্তান সফর করেছিলেন। তালেবান সরকারের আমন্ত্রণে সেই সফরে তাঁরা কাবুলে কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। ফিরে এসে মামুনুল হক তালেবান প্রশাসনকে ‘নিয়মভিত্তিক ও ইসলামি শৃঙ্খলার সমাজ’ বলে প্রশংসা করেছিলেন।

Advertisements


   


   

পরে তালিবান বিদেশ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা ঢাকায় এসে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎও করেন। এই যোগাযোগগুলো নিয়ে ধর্মনিরপেক্ষ মহল ও সমালোচকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলছেন, এ ধরনের সম্পর্ক বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চরমপন্থী প্রভাব বাড়াতে পারে। অন্যদিকে মামুনুল হক ও তাঁর সমর্থকরা বলছেন, এটি ধর্মীয় শিক্ষা ও পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের অংশ মাত্র।

আরও দেখুনঃ

হেফাজতে ইসলামী মূলত কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক একটি রক্ষণশীল ইসলামি চাপসৃষ্টিকারী সংগঠন, যা ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষার নামে রাজনৈতিক ও সামাজিক দাবি তুলে থাকে। অতীতে সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত কিছু নেতার বিরুদ্ধে হিংসা ও চরমপন্থার অভিযোগ উঠেছে। ২০২১ সালে তৎকালীন সরকারের সময় পুলিশ মামুনুল হকের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি জঙ্গি গোষ্ঠী ও হুজির সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ তুলেছিল।

সেই অভিযোগগুলো বিতর্কিত এবং পরবর্তীতে অনেক মামলায় তিনি খালাসও পেয়েছেন (Mamunul Haque)। বর্তমানে এসব পুরোনো অভিযোগ নতুন করে প্রমাণিত হয়েছে এমন কোনো স্বাধীন তথ্য সামনে আসেনি।নেপালে বাংলাদেশি ইসলামি নেতাদের সাম্প্রতিক কিছু সফর নিরাপত্তা সংস্থার নজরে এসেছে।

গত জুলাইয়ে কয়েকজন বাংলাদেশি আলেম কাঠমান্ডুতে পৌঁছালে নেপালি পুলিশের কাউন্টার-টেরোরিজম ইউনিট সতর্কতা অবলম্বন করেছিল। নেপাল-ভারত উন্মুক্ত সীমান্তকে কেন্দ্র করে চোরাচালান বা অন্যান্য অপরাধমূলক তৎপরতার আশঙ্কা নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে রয়েছে। তবে মামুনুল হকের এই সফরকে কোনো ‘বড় মিশন’ বা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত তৎপরতা বলে দাবি করার মতো কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। এ ধরনের দাবি বেশিরভাগই সামাজিক মাধ্যমের জল্পনা পর্যায়ে রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *