Woman Murder in Malda: রান্নাঘরে বৌদি একা, চুপি চুপি এল দেওর, পরিণতি দেখে শিউরে উঠল সবাই | Woman Hacked to Death with Axe While Cooking, Brother in Law Arrested in Malda
মালদহ: কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে বৌদির গলা কেটে খুনের অভিযোগ দেওরের বিরুদ্ধে। বাড়িতে রান্না করার সময় বৌদিকে কুড়ুল দিয়ে দেওর কোপান বলে অভিযোগ। ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত দেওরকে। ঘটনাস্থলে আইসি, এসডিপিও সঙ্গে বিশাল পুলিশ বাহিনী। উত্তেজনা মালদহর হরিশ্চন্দ্রপুরের রামনগর বাইসা এলাকায়। ঘটনাস্থলে এসডিপিও সোমনাথ সাহা, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সুমিত কুমার ঘোষ সহ পুলিশ বাহিনী। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় খুনে অভিযুক্ত দেওরকে।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত মহিলার নাম অমৃতা ওরাওঁ(২৭)। ধৃত দেওরের নাম পাঁচু ওরাওঁ। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরেই খুন বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, রাতে রান্না করছিলেন অমৃতা। তাঁর দুই নাবালক ছেলে রয়েছে। স্বামী নন্দলাল ওরাওঁ ওই সময় বাড়িতে ছিলেন না। দুই ছেলে খেলাধুলো করছিল। অভিযোগ, কেউ না থাকা অবস্থায় আচমকা পেছন থেকে ধারালো কুড়ুল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন পাঁচু। অমৃতার গলা কেটে খুন করে পালিয়ে যান। অমৃতার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে দেখেন, রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে রয়েছেন অমৃতা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। বিরাট পুলিশ বাহিনী গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। তল্লাশি চালিয়ে ধরা হয় পাঁচুকে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের সন্দেহ, অমৃতার সঙ্গে দেওরের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। কিন্তু কিছুদিন ধরে পাঁচুকে তিনি এড়িয়ে চলছিলেন। অমৃতার অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে সন্দেহে এই হামলা বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।
মৃতার জা রাধা ওরাওঁ বলেন, “আমার ছোট দেওর মেরেছে। ঝগড়া-ঝাটি ছিল কি না, জানি না। আমি সকালেই কাজে চলে যেতাম। তবে আমার দেওরের সাজা চাই। কারণ, আমার জায়ের ছোট ছোট দুটি সন্তান রয়েছে।” কোথা থেকে কী হল, বুঝতে পারছেন না মৃতার শাশুড়ি উসমি ওরাঁও। তিনি বলেন, “আমার সবথেকে ছোট ছেলে মেরেছে। কেন মেরেছে জানি না। ছোট ছেলে কোনও কাজ করত না।”