নেপাল বিপর্যয়ে মৃত ১২৮০, নিখোঁজের তালিকা লম্বা হলেও ‘অলৌকিক উদ্ধার’ ঘিরে জাগছে আশার আলো
এই সময়: রাখে হরি মারে কে— নেহাত প্রবাদ নয়, মনে-প্রাণে এমনটাই বিশ্বাস করছেন বিপর্যয়ের ন’দিন পরে শুক্রবার জন্মাষ্টমীর সকালে ‘মৃত্যুকূপ’ থেকে বেরিয়ে আসা দুই নেপালি যুবকের পরিবার। সর্বাঙ্গে কাদামাটির প্রলেপ, মুখে পুনর্জন্মের হাসি— ত্রিশূলির ওই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের টানেল থেকে বেরিয়েই বছর তিরিশের ফোরম্যান সঞ্জয় সাহ বলে দিলেন, ‘কী ভাবে ফিরে এলাম, সত্যিই জানি না। গত ন’দিন শুধু হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করে গিয়েছি।’ নুয়াকোট জেলার ত্রিশূলি ৩-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ওই সুড়ঙ্গ থেকে এ দিন বেরিয়ে এসেছেন বছর পঁয়তাল্লিশের মেকানিক্যাল সুপারভাইজ়ার কবীর মহর্জনও। সঞ্জয় বেরোন উদ্ধারকারী এক নেপালি জওয়ানের কাঁধে চেপে। কবীর স্ট্রেচারে— আধশোয়া অবস্থায়। কথা বলার শক্তি নেই, তবু দু’হাত জড়ো করে উদ্ধারকারী দলকে ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি তিনি।