‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র ভাতার বদলে প্রতিদিন স্বেচ্ছাশ্রম দেওয়ার পণ, সামাজিক ঋণশোধে লেনিন–মমতা
পেশা সামান্য চাষাবাদ। সঙ্গে রয়েছে গ্রামের মোড়ে একটি সাইকেল সারাইয়ের দোকানও। গতে বাঁধা সেই কাজের পরে বাকি সময় কাটে কী করে? বর্ষার মরশুমে কোথাও গাছ লাগানো অথবা কারও রক্ত লাগবে বা কোথাও কি আবর্জনা জমে রয়েছে, তা নিয়ে চলে খোঁজখবর নেওয়া।
আচমকা যে চিন্তাটা মাথায় গেঁথে গেল, তার সূত্রপাত স্ত্রী মমতার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র তিন হাজার টাকা ঢোকার পরে। লেনিন প্রশ্ন করলেন, ‘এই যে সরকার তিন হাজার টাকা সহায়তা দিল, তার বিনিময়ে আমরা কি কিছু দেবো না?’ কী দিতে পারেন, মমতা সেই প্রশ্ন তুলতেই লেনিন ফের বলে ওঠেন, ‘সমাজকে কিছু ফিরিয়েও দিতে পারি। এই যেমন দোকান সামলে যতটা পারি মানুষের উপকার করার চেষ্টা করি। করলে খুব আনন্দ মেলে।’