সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টার বিরুদ্ধে সর্তক থাকার ডাক তারেকের
এমন এক সময় প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানালেন যখন রংপুরে এক প্রবীন শিক্ষককে সপরিবারে খুনের পরেও সেই খুন নিয়ে পুলিশের সন্দেহজনক পদক্ষেপে নিহতদের স্বজন থেকে শুরু করে সব মহলে অনাস্থা রয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় সংখ্যালঘুদের জীবন, সম্পত্তি এবং উপাসনালয়ের উপরে হামলার ঘটনা ঘটছে। এ দিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি সরকারের বৈষম্যের পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেছেন— ‘রাষ্ট্র, সংবিধান এবং সরকার যদি সাম্প্রদায়িক হয়, তা হলে বৈষম্য দূর হবে না।’ তারেকের সামনেই তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ১৭৫ জন যুগ্মসচিবকে যে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, তাতে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বেছে বেছে হিন্দু কর্মকর্তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে ২৬৫ জন আইন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে, যার মধ্যে হিন্দুর সংখ্যা মাত্র ১। ৭৮ জন সচিবের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক জনও নেই। পেশায় সাংবাদিক শর্মা বলেন, ‘দেবত্র সম্পত্তি রক্ষায় একটা বোর্ড গড়ার দাবি দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। আমরা এ সবের নিরসন চাই। হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট নয়, আমরা হিন্দু ফাউন্ডেশন চাই।’