Bigg Boss Bangla: ঝিলমকে জড়িয়ে হাউমাউ করে কান্না নিরঞ্জনের! কীসের ভয় তাড়া করছে তাঁকে? | Bigg Boss Bangla: Niranjan Mandal Emotional Breakdown in Front of Jhilam Gupta After Jayita Enters Dugout
জনপ্রিয় মুখ নিরঞ্জন মণ্ডল (Niranjan Mandal), যাঁকে নেটদুনিয়া চেনে ‘লাফটারসেন’ নামে, বিগ বসের ঘরে এবার একেবারেই অন্য চেহারায় ধরা দিলেন। শুরু থেকেই জমে উঠেছে ‘বিগ বস বাংলা’। সৌরভ গাঙ্গুলির সঞ্চালনায় ৩০ অগস্ট থেকে স্টার জলসায় শুরু হওয়া এই শো দেখা যাচ্ছে রোজ রাত সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত। ঘরে প্রতিযোগী হিসেবে রয়েছেন ভরত কল, মনামী ঘোষ, সোনামণি সাহা, অনিন্দ্য সেনগুপ্ত, দীপেন্দু বিশ্বাস, দুর্নিবার সাহা, ঝিলম গুপ্ত ও নন্দিনী দত্তর মতো চেনা মুখেরা।
জোর ঝামেলা বেঁধেছিল ক্যাপ্টেন ভরত কল ও তনুশ্রী রায় দাসের মধ্যে। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন অশান্তি শুরু হল ফল কাটাকে কেন্দ্র করে। কিচেনে জয়িতা তরমুজ কাটতে গেলে তাঁর কাটার ধরন নিয়ে আপত্তি জানান নিরঞ্জন। হাইজিন মেনে তরমুজ কাটতে বলেন জয়িতাকে, সেখান থেকেই দুজনের মধ্যে তর্ক জুড়ে যায়। পরে জয়িতা অভিনেত্রী মনামী ঘোষের কাছে গিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি জানান, তিনিও মার্জিত পরিবেশ থেকে উঠে এসেছেন। এমনকী নিরঞ্জনকে ব্যঙ্গ করে শারীরিক অঙ্গভঙ্গিও করেন তিনি। তবে মনামী সঙ্গে সঙ্গে এর প্রতিবাদ করে বলেন, কাউকে এভাবে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা ঠিক নয়। পরে পরিস্থিতি বুঝতে পেরে নিরঞ্জন নিজেই গিয়ে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে ক্ষমা চান জয়িতার কাছে। জানান, কাউকে আঘাত করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। জয়িতাও তখন নিজের ভুল মেনে নেন।
ঝামেলা মিটলেও আসল মোড় নেয় ডাগআউট রুমের খেলায়। ঘরের নিয়ম অনুযায়ী মোট ৬ জনকে ডাগআউটে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে থেকেই কেউ বাদ পড়বেন, আর বাকিরা মূল ঘরে ফিরবেন। ক্যাপ্টেন ভরত কল সরাসরি চারজনকে আগেই ডাগআউটে পাঠান, দীপেন্দু বিশ্বাস, দুর্নিবার সাহা, ঝিলম গুপ্ত এবং তনুশ্রী রায় দাস। পরে বাকি সদস্যদের গোপন ভোটে আরও দু’জন, অর্থাৎ সোহিনী পাল ও জয়িতা ডাগআউট রুমে যান।
জয়িতা ডাগআউটে চলে যেতেই মন খারাপ হয়ে যায় নিরঞ্জনের। তিনি বিগ বসকে একান্তে নিজের খারাপ লাগার কথা জানাচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময় সেখানে আসেন ঝিলম গুপ্ত। ঝিলমকে দেখেই আর নিজেকে সামলাতে পারেননি নিরঞ্জন, কেঁদে ফেলেন তিনি। ঝিলম তাঁকে আগলে ধরে শান্ত করেন। চোখের জল ফেলে নিরঞ্জন জানান তাঁর মনের আসল ভয়ের কথা। বিগ বসের এই কড়া নিয়মের খেলায় টিকে থাকতে গিয়ে এক সময় নিজের কাছের মানুষের বিরুদ্ধেই ভোট দিতে হবে বা দাঁড়িয়ে যেতে হবে, এই আশঙ্কায় রয়েছেন তিনি।