ফের অশান্ত মণিপুর! কাংপোকপিতে একের পর এক গ্রামে আগুন, ২৫টির বেশি বাড়ি ছাই - 24 Ghanta Bangla News
Home

ফের অশান্ত মণিপুর! কাংপোকপিতে একের পর এক গ্রামে আগুন, ২৫টির বেশি বাড়ি ছাই

Spread the love

ইম্ফল: মণিপুরের কাংপোকপি জেলায় ফের নতুন করে হিংসার আগুন (Manipur)ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। ইম্ফল-তামেংলং রোড সংলগ্ন এলাকায় পরপর দু’দিনের হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বহু মানুষ…

ইম্ফল: মণিপুরের কাংপোকপি জেলায় ফের নতুন করে হিংসার আগুন (Manipur)ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। ইম্ফল-তামেংলং রোড সংলগ্ন এলাকায় পরপর দু’দিনের হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বহু মানুষ আতঙ্কে ঘরছাড়া হয়েছেন। বুধবার টিপোরাম গ্রামে অন্তত ২৫টি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এর ঠিক একদিন আগে তিনটি লিয়াংমাই নাগা গ্রামে হামলা চালিয়ে অন্তত ১০টি বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

ঘটনার সূত্রপাত হয় সোমবার, ৩১ অগস্ট। (Manipur)কাংপোকপি জেলার তেইখাং এলাকায় সশস্ত্র হামলায় তিন কুকি নাগরিকের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে দুই মহিলা ছিলেন। আরও কয়েকজন আহত হন। ওই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বাড়তে শুরু করে।

আরও দেখুনঃ ভারতের ১১ টাকা ইউনিট বিদ্যুতে না তারেকের! চিনের ২৫ টাকা ইউনিটের বিদ্যুতেই ভরসা বাংলাদেশের

পরদিন মঙ্গলবার ভোরে ইম্ফল-তামেংলং রোডের কাছে তাপন খুল্লেন, তাপন খুনৌ এবং মাকুই পিপুরাম এলাকায় সশস্ত্র হামলার অভিযোগ ওঠে। ভোর প্রায় ৪টে নাগাদ শুরু হওয়া হামলায় গুলি চালানোর পাশাপাশি একাধিক বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবারের হামলায় অন্তত ১০টি বাড়ি পুড়ে যায়। (Manipur)পাশাপাশি একটি excavator, একটি Gypsy গাড়ি, একটি pickup truck এবং একটি truck ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গুলিতে আহত হন ৪৯ বছরের এন লুইথুইবৌ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তিনি একটি চার্চের যাজক। তাঁর শরীরের ডান দিকের পেট ও হাতে গুলি লাগে। তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগেই বুধবার ফের হামলার খবর আসে। (Manipur)টিপোরাম গ্রামে অন্তত ২৫টি বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পুড়ে যাওয়া বাড়িগুলির মধ্যে পাঁচটি নেপালি সম্প্রদায়ের মানুষের। আগের দিনের হিংসার পর নিরাপত্তার কারণে টিপোরামের বাসিন্দাদের প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরের মাকুই এলাকায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। পরে কয়েকজন গ্রামে ফিরলেও নতুন করে হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়।

এই পরিস্থিতিতে আতঙ্ক আরও বাড়িয়েছে ধারাবাহিক গুলির শব্দ। প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী বহু পরিবার নিরাপত্তার কথা ভেবে নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে অপেক্ষাকৃত নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন। ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী পুড়ে যাওয়ায় অনেক পরিবারের সামনে এখন নতুন করে মাথা গোঁজার জায়গা এবং জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *