অদ্ভুত সংকট! হায়দরাবাদের সেনানিবাস থেকে উধাও স্বয়ংক্রিয় রাইফেল-গোলা বারুদ
হায়দরাবাদ: হায়দরাবাদের ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় অদ্ভুত কান্ড। (Hyderabad)সেনাবাহিনীর অত্যন্ত সুরক্ষিত একটি চত্বরে অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। মাদ্রাজ রেজিমেন্টের একটি সুরক্ষিত স্টোরেজ এলাকা…
হায়দরাবাদ: হায়দরাবাদের ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় অদ্ভুত কান্ড। (Hyderabad)সেনাবাহিনীর অত্যন্ত সুরক্ষিত একটি চত্বরে অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। মাদ্রাজ রেজিমেন্টের একটি সুরক্ষিত স্টোরেজ এলাকা থেকে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ অস্ত্রের তালিকায় রয়েছে চারটি AK-47 রাইফেল, ছয়টি পিস্তল এবং একটি INSAS রাইফেল।
এর পাশাপাশি কিছু গোলাবারুদও খোয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। (Hyderabad)একটি সেনা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপত্তাবেষ্টিত এলাকা থেকে কীভাবে এতগুলি অস্ত্র এবং গোলাবারুদ নিখোঁজ হল, সেটাই এখন তদন্তকারীদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। সেনা কর্তৃপক্ষ রবিবার রাতে অস্ত্রগুলি নিখোঁজ থাকার বিষয়টি প্রথমে শনাক্ত করেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর সোমবার স্থানীয় বোল্লারাম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
আরও দেখুনঃ সংবেদনশীল ভারত সীমান্ত পরিদর্শনে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত
মাঝআকাশে বিকল ইঞ্জিন, গোয়ায় জরুরি অবতরণ! ইন্ডিগোর ২২০ যাত্রীর কী হল?
অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে সেনা কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ উভয়েই অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কারণ, নিখোঁজ অস্ত্রগুলির মধ্যে AK-47 এবং INSAS-এর মতো সামরিক রাইফেল রয়েছে। এগুলি সাধারণ অস্ত্র নয় এবং কোনও সুরক্ষিত সামরিক স্থাপনা থেকে এই ধরনের অস্ত্র বাইরে চলে যাওয়ার ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।
তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, শেষবার কখন অস্ত্রগুলির হিসাব নেওয়া হয়েছিল (Hyderabad)এবং তারপর থেকে কোন সময়ে সেগুলি নিখোঁজ হয়েছে। একই সঙ্গে স্টোরেজ এলাকায় কারা প্রবেশ করেছিলেন, তাঁদের প্রবেশ ও বেরিয়ে যাওয়ার সময়, অনুমোদিত অ্যাক্সেস রেকর্ড এবং অস্ত্র সংরক্ষণের নথিপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার কোনও নির্দিষ্ট জায়গায় গাফিলতি হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
সূত্রের খবর, সেনা চত্বর এবং অস্ত্র সংরক্ষণের জায়গায় প্রবেশাধিকার সাধারণত শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে বাইরে থেকে কোনও ব্যক্তি সেখানে ঢুকে অস্ত্র সরিয়ে নিয়ে গিয়েছেন, নাকি চত্বরের ভিতরের কোনও ব্যক্তির মাধ্যমে অস্ত্রগুলি বাইরে বেরিয়েছে, তা নিয়ে তদন্তকারীদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।
এই কারণেই তদন্তে ‘ইনসাইডার’ বা প্রতিষ্ঠানের ভিতরের কারও ভূমিকার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও সেনাকর্মী বা অন্য কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি এবং পুলিশও প্রকাশ্যে কোনও সন্দেহভাজনের নাম জানায়নি।