Doomsday Plane: পরমাণু বোমার আঘাত সামলায়! কী রয়েছে ট্রাম্পের 'ডুমসডে' প্লেনের ভিতরে? | Withstands a nuclear blast what is inside trumps doomsday plane - 24 Ghanta Bangla News
Home

Doomsday Plane: পরমাণু বোমার আঘাত সামলায়! কী রয়েছে ট্রাম্পের ‘ডুমসডে’ প্লেনের ভিতরে? | Withstands a nuclear blast what is inside trumps doomsday plane

Spread the love

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এয়ার ফোর্স ওয়ান বা ‘ফ্লাইং ওভাল অফিস’ সম্পর্কে অনেকেই জানেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ন্যাটো সামিট বা বিদেশ সফরে যান- এই বিমানে সাঙ্গপাঙ্গ-সমেত যান। কিন্তু প্রেসিডেন্টের জন্য আরেক ধরণের বিশেষ বিমানও মার্কিন সেনা অত্যন্ত গোপনে বানিয়ে রেখেছে। যার নাম বা কথা খুব বেশি লোক জানে না। চোখে দেখা তো অনেক পরের কথা। আজ আপনাদের বলব সেই ‘ফ্লাইং ওয়ার রুম’-এর কথা।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের রয়েছে E-4B “Nightwatch প্লেন। ডাক নাম – ডুমস ডে প্লেন। ডুমস ডে – মানে শেষের দিন। অর্থাৎ, যখন ভয়ঙ্কর কোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা পরমাণু বোমার হামলা হবে, আমেরিকা শেষ হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হবে, তখন প্রেসিডেন্টকে এই বিমানে চাপানো হবে। E-4B এমন ভাবেই ডিজাইন করা, যাতে পরমাণু বোমা হামলার অভিঘাত আটকানো যায়। বিমানের যাবতীয় কন্ট্রোল ম্যানুয়াল, কোনওভাবেই হ্যাকিংয়ের ভয় নেই। বিমানের গায়ে জড়ানো ‘থার্মাল শিল্ড’ বিস্ফোরণের তীব্র গরম থেকে বিমানকে রক্ষা করবে। সারাদিনে ২৪ ঘন্টা, সপ্তাহে ৭ দিন বছরে ৩৬৫ দিন এই বিমান ঘাঁটিতে তৈরি থাকে। এই বিমানে মোতায়েন কর্মীরাও জানেন, ওড়ার ডাক আসতে পারে যে কোনও মুহূর্তে।

  • বোয়িং সংস্থার বিমানকে ২২৩ মিলিয়ন ডলার খরচে তৈরি ‘নাইটওয়াচ’
  • বিমানের ভিতরে ইএমপি শিল্ড বাঁচাবে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ থেকে
  • নেব্রাস্কার ওমাহা সেনাঘাঁটিতে চারটি প্লেন সর্বদা স্ট্যান্ডবাই
  • ৬০ জন ভিআইপি-কে নিয়ে আকাশে ওড়ে, সর্বোচ্চ ১১২ জন
  • আকাশেই জ্বালানি ভরা যায়, একটানা উড়তে পারে ১২ ঘণ্টা
  • বিমানের মাথায় ৬৭টি স্যাটেলাইট ডিশ ও অ্যান্টেনা

আমেরিকাতে পরমাণু হামলা হলে, এই প্লেনেই তখন তৈরি হবে অস্থায়ী, ভাসমান কমান্ড সেন্টার। তখন এটাই হবে ন্যাশনাল এয়ারবর্ন অপারেশন সেন্টার বা NAOC। প্রেসিডেন্ট ও সেনার মধ্যে যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা। দরকার পড়লে পাল্টা পরমাণু হামলার নির্দেশ দেবেন প্রেসিডেন্ট। এই কমান্ড সেন্টারে থাকা প্রতিরক্ষা সচিব বা শীর্ষ সেনাকর্তা সেই নির্দেশে সবুজ সঙ্কেত দেবেন। আর সঙ্গে সঙ্গে এই বিমান থেকে সমুদ্রের নিচে লুকানো ঘাঁটিতে চূড়ান্ত নির্দেশ যাবে। এই বিশেষ নির্দেশ দেওয়ার জন্য বিমানের লেজের কাছে রয়েছে VLF বা ভেরি লো ফ্রিকোয়েন্সি কমিউনিকেশন সিস্টেম। পাঁচ মাইল লম্বা এক ধরণের কেবল বা তার-সমেত অ্যান্টেনা। প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষা সচিবের নির্দেশে এই VLF গভীর সমুদ্র লুকানো পরমাণু বোমা সমেত ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলার নির্দেশ দেবে। মুহূর্তের মধ্যে আমেরিকার শত্রুর দিকে উড়ে যাবে পরমাণু বোমা।

বিমানটিকে মূলত ছটি ভাগে ভাগ করা যায়।

১. কমান্ড রুম

২. কনফারেন্স রুম

৩. ব্রিফিং রুম

৪. অপারেশন রুম

৫. কমিউনিকেশন রুম

৬. রেস্ট রুম

প্রেসিডেন্টের এই বিশেষ বিমানের আরেকটি ভেরিয়েন্ট রয়েছে মার্কিন নেভির কাছেও। যার নাম TACAMO বা ‘টেক চার্জ অ্যান্ড মুভি আউট’। পোশাকি নাম E-6B Mercury। তবে একা আমেরিকার কাছে নয়, বিশ্বে আরেকটি দেশের কাছেও আছে এরকমই ডুমসডে প্লেন। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের এই বিশেষ বিমানের নাম ইলিউশিন-২-৮০। একে বলা হয় ম্যাক্সডোম। পিছিয়ে নেই ভারতও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রয়েছে ইন্ডিয়া ওয়ান। এই বিমান মিসাইল হামলা রুখে দিতে পারে। জ্বালানি ভরা যায় আকাশেই। দেশের তিন সেনা প্রধানের সঙ্গেই এই বিমান থেকে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *