Annapurna Yogana: ‘কখনও প্রসেস কখনও রিজেক্ট দেখাচ্ছে’, ‘অন্নপূর্ণা যোজনার’ টাকা না পেয়ে শঙ্করের কার্যালয়ের সামনে হাজির শ’য়ে-শ’য়ে মহিলা | Womens goes to minister Shankar ghosh house for Annapurna Yojana Form Fill Up
শিলিগুড়ি: ‘অন্নপূর্ণা যোজনার’ টাকা না পাওয়ার অভিযোগ। মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের দুয়ারে হাজির মহিলারা। শিলিগুড়িতে মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের অফিসের সামনে লম্বা লাইন। পরিস্থিতি সামলাতে নামল কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং র্যাফ।
এ দিন, মোট দু’টি লাইনে বিভক্ত হন মহিলারা। একটি জলপাইগুড়ি-ডাবগ্রাম কেন্দ্রের বঞ্চিত মহিলাদের লাইন ছিল। আর একটি ছিল দার্জিলিং লেখার লাইন। প্রায় শ’য়ে-শ’য়ে মহিলা হাজির হন শঙ্কর ঘোষের কার্যালয়ের সামনে। কার্যত অবরূদ্ধ হয়ে পড়ে শিলিগুড়ি হিলকার্ট রোড। আশপাশের যে দোকানগুলি রয়েছে, সেই দোকানগুলির ব্যবসা বাণিজ্য প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে।
এক মহিলা বলেন, “তিন মাস ধরে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছি না।” আর এক মহিলা বলেন, “কখনও আন্ডার প্রসেস, কখনও রিজেক্ট, একটার পর একটা স্টেটমেন্ট দিচ্ছে। টাকা তো পাচ্ছি না। সেই কারণে বিধায়কের সঙ্গে কথা বলতে এসেছি। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। ”
এ দিন, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, অন্নপূর্ণা ভন্ডারের ফর্ম হাতে করে নিয়ে এসেছিলেন মহিলারা। তবে শঙ্কর ঘোষ উপস্থিত ছিলেন না শিলিগুড়ি। তিনি রয়েছেন কলকাতায়। তবে, মন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন যে সকল মহিলারা অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা পাননি, তাঁর যেন তাঁর বিধায়ক কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন। কারণ, সেখানে ক্যাম্প রয়েছে। আর সেখান থেকেই জট খুলে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ টিভি ৯ বাংলাকে জানান, “আমার বিধানসভা কেন্দ্রে ৩৫ হাজার উপভোক্তা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন। যাঁরা পাননি তাঁদের আলাদা ভাবে দেখা হচ্ছে। আমার বিধানসভা নাগরিকদের জন্য আমি উদ্যোগ নিয়েছিলাম। তবে, অন্যান্য বিধানসভার মানুষও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাই এটা শুধু শিলিগুড়ি বিধানসভার মানুষ নয়। আর যাঁরা এসেছেন তাঁদের তো আর আমি সরিয়ে দিতে পারি না। তাই চেষ্টা করছি সকলের সমস্যার সমাধান করা।”