পুজোর আগে বিদেশে ঘুরতে যাবেন? কোন কোন দেশ রাখতে পারেন তালিকায়?

সেপ্টেম্বরে বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন? বর্ষার ভিড় একটু কমিয়ে পাহাড়, সমুদ্র, সংস্কৃতি আর প্রকৃতির স্বাদ পেতে পারেন কয়েকটি দারুণ দেশে। ভারতীয় পর্যটকদের জন্যও রয়েছে বেশ কিছু সুবিধাজনক বিকল্প।

ভুটান দিয়ে যাত্রা শুরু করতে পারেন। পাহাড়, বৌদ্ধ মঠ আর শান্ত পরিবেশের জন্য সেপ্টেম্বর বেশ আকর্ষণীয়। থিম্পু, পুনাখা জং ও পারো ঘুরে দেখা যায়। সময় থাকলে টাইগার্স নেস্টেও যেতে পারেন।

মরিশাস তাঁদের জন্য আদর্শ, যাঁরা সমুদ্রের পাশাপাশি ঘোরাঘুরিও পছন্দ করেন। পোর্ট লুই, ব্ল্যাক রিভার গর্জেস ন্যাশনাল পার্ক ও শামারেল হতে পারে ভ্রমণের তালিকায়।

একেবারে অন্যরকম অভিজ্ঞতার জন্য যেতে পারেন কাজাখস্তানে। আলমাটির পাহাড়ি সৌন্দর্য, বিগ আলমাটি লেক ও চ্যারিন ক্যানিয়ন সেপ্টেম্বরের ভ্রমণকে স্মরণীয় করে তুলতে পারে।

থাইল্যান্ড বরাবরের মতোই জনপ্রিয়। ব্যাংককে খাবার, শপিং ও মন্দির ঘোরা যায়। তবে সেপ্টেম্বরে অনেক অঞ্চলে বৃষ্টির মরশুম থাকে, তাই আবহাওয়া দেখে পরিকল্পনা করা ভালো।

মালয়েশিয়া হতে পারে ছোট ছুটির জন্য দারুণ বিকল্প। কুয়ালালামপুরের আধুনিক শহর, পেনাংয়ের খাবার ও ঐতিহ্যবাহী রাস্তা কিংবা লাংকাওয়ির সবুজ প্রকৃতি—সবই রয়েছে।

সমুদ্রপ্রেমীদের জন্য সেশেলস অসাধারণ। মাহে, প্রস্লিন ও লা দিগে ঘুরে দেখা, স্নরকেলিং, সাঁতার কিংবা নিরিবিলি সৈকতে সময় কাটানো যায়।

আরও দূরের গন্তব্য চাইলে ফিজি বেছে নিতে পারেন। নাদি, ডেনারাউ, কোরাল কোস্ট, স্নরকেলিং ও রেইনফরেস্ট ভ্রমণ মিলিয়ে পাওয়া যাবে একেবারে আলাদা অভিজ্ঞতা।

জামাইকা তাঁদের জন্য, যাঁরা সমুদ্রের সঙ্গে গান, খাবার ও স্থানীয় সংস্কৃতির স্বাদ নিতে চান। মন্টেগো বে, নেগ্রিল, কিংস্টন ও ওচো রিওস ঘুরতে পারেন।

তবে ভিসা বা প্রবেশের নিয়ম সময়ের সঙ্গে বদলাতে পারে। তাই টিকিট কাটার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের সর্বশেষ প্রবেশ-নিয়ম অবশ্যই যাচাই করে নিন।