দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের মৃত্যদণ্ডই শ্রেয়! দেশের আইন ব্যবস্থা নিয়ে সরব তথাগত - 24 Ghanta Bangla News
Home

দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের মৃত্যদণ্ডই শ্রেয়! দেশের আইন ব্যবস্থা নিয়ে সরব তথাগত

Spread the love

কলকাতা: দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে অবিরাম।(Tathagata Roy) সেই ষড়যন্ত্রকারীদের ‘দীর্ঘ হাত’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা তথাগত রায়। এছাড়াও মৃত্যুদণ্ড…

কলকাতা: দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে অবিরাম।(Tathagata Roy) সেই ষড়যন্ত্রকারীদের ‘দীর্ঘ হাত’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা তথাগত রায়। এছাড়াও মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত আইনে বড় পরিবর্তনের দাবি তুললেন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা তথা ত্রিপুরার প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়।

তাঁর বক্তব্য, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে গুরুতর ষড়যন্ত্রের মতো ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত ‘রেয়ারেস্ট অফ রেয়ার’ বা ‘বিরলতমের মধ্যে বিরল’ নীতিকে আইন করে অগ্রাহ্য করার কথা সরকারের বিবেচনা করা উচিত। নিজের বক্তব্যে তথাগত রায় বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন আফতাব আনসারির নাম।

আরও দেখুনঃ এক দেশ এক সময়ের দিকে এগোচ্ছে ভারত! এবার সব জায়গায় মানতে হবে IST

প্রেসিডেন্সি জেলের ভিতরে তাঁর কাছে পাওয়া গিয়েছিল মোবাইল ফোন ও রাউটার। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তথাগতর দাবি (Tathagata Roy)দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতার বিরুদ্ধে যে ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রচলিত মৃত্যুদণ্ডের আইনি কাঠামো নিয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রকারীদের প্রভাব ও যোগাযোগ জেলের ভিতর থেকেও যদি দেশের নিরাপত্তার জন্য আশঙ্কার কারণ হয়ে ওঠে, তাহলে এমন অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যদন্ডের মত কঠোরতম শাস্তির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

তাঁর বক্তব্যে ১৯৮০ সালের বচ্চন সিং মামলার প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। সুপ্রিম কোর্টের সেই ঐতিহাসিক রায়ে মৃত্যুদণ্ডকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়নি। বরং আদালত জানিয়েছিল, বিশেষ পরিস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে এবং তার জন্য ‘রেয়ারেস্ট অফ রেয়ার’ নীতি অনুসরণ করতে হবে। সেই আইনি অবস্থানের উল্লেখ করেই তথাগত রায়ের (Tathagata Roy)বক্তব্য, দেশের ঐক্য, অখণ্ডতা ও নিরাপত্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে সংসদ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে বর্তমান কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে পারে কি না, তা নিয়ে ভাবা দরকার।

তাঁর মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই প্রশ্নটি নতুন করে সামনে এসেছে। বিশেষ করে আফতাব আনসারিকে ঘিরে সাম্প্রতিক অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জেল নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তথাগত রায়ের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্সি জেলের মতো উচ্চ নিরাপত্তার সংশোধনাগারের ভিতরে একজন বন্দির কাছে মোবাইল ফোন ও রাউটার কীভাবে পৌঁছল, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। আরও গুরুতর বিষয় হল, ওই ডিভাইস ব্যবহার করে পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ।

তাঁর দাবি, যদি এই অভিযোগ সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে জেলের ভিতর থেকে কীভাবে একজন বন্দি আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বজায় রাখতে পারলেন, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। কারণ, কোনও বন্দি জেলের ভিতর থেকেও যদি বাইরের কোনও নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারেন, তাহলে তা শুধু জেল প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাই নয়, বৃহত্তর জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

তবে ভারতবর্ষে মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে কিছু আইন রয়েছে এবং ভারতীয় মানবাধিকার কমিশন ও মৃত্যুদণ্ডকে অস্বীকার করে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মোতে তথাগতের দানি সংগত এবং দেশের আইন প্রণয়নকারীদের এই বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করা উচিত।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *