Twin Lakes Burst Risk: যেকোনও মুহূর্তে ফাটতে পারে! সতর্ক করছে চিন, 'জোড়া লেক' আরও ঘুম কেড়ে নিল নেপালের | Nepal on Alert! China Warns ‘Twin Lakes’ Could Burst Anytime, Flood Risk Mounts - 24 Ghanta Bangla News
Home

Twin Lakes Burst Risk: যেকোনও মুহূর্তে ফাটতে পারে! সতর্ক করছে চিন, ‘জোড়া লেক’ আরও ঘুম কেড়ে নিল নেপালের | Nepal on Alert! China Warns ‘Twin Lakes’ Could Burst Anytime, Flood Risk Mounts

Spread the love

এই জোড়া লেকেই বিপদের শঙ্কা।Image Credit: X

কাঠমাণ্ডু: বিপদের শেষ নেই। হড়পা বানে যে বিপর্যয় নেমেছে নেপালে (Nepal), তাতে ৬২৬ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। নিখোঁজ এখনও ২৪০০ জন। এখন নেপাল জুড়ে উদ্ধারকাজ চলছে। তবে সেই উদ্ধারকাজও চলছে চরম উদ্বেগের মধ্যে। নেপালকে চিন্তায় রাখছে জোড়া ‘লেক’। কেন?

জোড়া লেকে বিপদ-

অস্থায়ী এই দুই লেক থেকে জল নামছে নেপালের দিকে।  হিমবাহ যেখানে ভাঙে, সেই নদীতেই তৈরি হয়েছে এই জোড়া লেক! ইতিমধ্যেই চিনা বিশেষজ্ঞ দল পৌঁছেছে লেকের কাছে। ধীরে ধীরে জল বের করার রাস্তা খুঁজছে চিনা দল। ইতিমধ্যেই নেপালকে সতর্ক করেছে চিন। তারা জানিয়েছে, লেন্দে নদীতে তৈরি লেক বা হ্রদের বাঁধ যে কোনও মুহূর্তে ভাঙতে পারে। হ্রদের জলের রং বদলে যাওয়াকে ঝুঁকি বাড়ার সম্ভাব্য লক্ষণ হিসেবে দেখছে বেজিং। তবে চিনের দাবি, হ্রদটি ভেঙে গেলেও নদীতে সর্বোচ্চ ৫০০ ঘনমিটার প্রতি সেকেন্ড হারে জল প্রবাহিত হতে পারে।  ভোতেকোশী, ত্রিশূলি নদীতে আজও সতর্কতা জারি রয়েছে।

কী বলছে চিন?

নেপালের বিদেশ মন্ত্রককে পাঠানো বার্তায় চিন প্রশাসন জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে নেপাল ও তিব্বতের বেশ কিছু এলাকায় ভয়াবহ হড়পা বান হওয়ার পর যে হ্রদটি তৈরি হতে শুরু করেছে, তার জলের রং ক্রমশ গাঢ় হচ্ছে। চিনের মতে, এর অর্থ হ্রদটি যে কোনও সময় ভেঙে পড়তে পারে। তবে লেকে জলের পরিমাণ খুব বেশি নয় বলে জানিয়েছে চিন। ফলে নীচের দিকে নদীগুলিতে জলের পরিমাণ সামান্য বাড়তে পারে, কিন্তু বড় ধরনের জলস্ফীতি হওয়ার সম্ভাবনা কম।

নীচের দিকে নদীর তীরবর্তী এলাকায় বসবাসকারী মানুষদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চিন জানিয়েছে, হ্রদটির আয়তনও কমেছে। বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত তোলা উপগ্রহের ছবিতে দেখা গিয়েছে, হ্রদের জল ধীরে ধীরে বেরিয়ে যাচ্ছে। ফলে জলাধারের আয়তনও কমছে। চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম CCTV, জলসম্পদ মন্ত্রকের তথ্য তুলে ধরে এই খবর জানিয়েছে।

জলসম্পদ মন্ত্রক জানিয়েছে, শনিবার ভোরে উপগ্রহের ছবিতে হ্রদের জলভাগের আয়তন প্রায় ৯৯,০০০ বর্গমিটার দেখা গিয়েছে। অর্থাৎ প্রায় ১৪টি ফুটবল মাঠের সমান। বৃহস্পতিবারের তুলনায় হ্রদের আয়তন প্রায় ২১,০০০ বর্গমিটার কমেছে। এই হ্রদটি তৈরি হয়েছে হিমবাহের একটি বড় অংশ ধসে পড়ার পর। বিজ্ঞানীদের অনুমান, ওই হিমবাহ ধসের কারণেই নেপাল ও তিব্বতে ভয়াবহ হড়পা বান হয়েছিল।

হিমবাহের ধ্বংসাবশেষ জমে গিয়ে একটি প্রাকৃতিক বাঁধ তৈরি হয়। তার ফলেই ওই হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। এখন সেই প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। চিনের দিকে চোচেন নদী এবং নেপালের দিকে পুরেপু নদীর মিলনস্থলের কাছে হ্রদটি তৈরি হয়েছে।

লেক ভাঙলে কতটা বিপদ হতে পারে?

হ্রদটি ভেঙে গেলে কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, তা বোঝার জন্য চিন বন্যার পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ মডেল তৈরি করেছে। চিনের হিসাব অনুযায়ী, হ্রদটি ভেঙে গেলে নদী ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ ৫০০ ঘনমিটার প্রতি সেকেন্ড হারে জল ঢুকতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *