কোটি কোটি টাকার মাছ নষ্ট, মৎস্যজীবীদের মামলায় জেলা পরিষদের সম্পত্তি অধিগ্রহণের নির্দেশ আদালতের
স্বনির্ভর দলের সম্পাদক বাসুদেব হালদারের দাবি, বারবার জেলা পরিষদ ও জেলাশাসককে জানিয়েও কাজ হয়নি। ২০২৩-২৪ সালে পরিস্থিতি চরমে পৌঁছয়। জলস্তর দুই ফুটেরও নীচে নেমে যাওয়ায় হাজার হাজার মাছ মরতে শুরু করে। এরপর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তাঁরা। আদালতের হস্তক্ষেপে জেলাশাসকের উপস্থিতিতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, দিঘিতে অন্তত পাঁচ-ছ’ফুট জল রাখতে হবে। উদ্বৃত্ত জল থাকলেই সেচের কাজে তা নেওয়া যাবে। কিন্তু অভিযোগ, সেই সিদ্ধান্তও মানা হয়নি।