হোয়াটসঅ্যাপেই কড়া বার্তা, দলের নেতাদের দুর্নীতি থেকে দূরে থাকার নির্দেশ শমীকের
‘বিকশিত বাংলা’ গড়ার পথে বিজেপির পায়ে কাঁটার মতো বিঁধে আছে পার্টির–ই একাংশের দুর্নীতি প্রবণতা। দলের সর্বস্তরের নেতা–কর্মীদের বার্তা দিতে অনেককে সাসপেন্ড এবং শো’কজ়ও করা হয়েছে। শমীকদের পর্যবেক্ষণ– এর পরেও দলের একাংশের তোলাবাজির উৎসাহে ভাটা পড়েনি। কিন্তু রাজ্য সভাপতিও এত সহজে হাল ছাড়ছেন না। ঘনিষ্ঠ মহলে সোমবারও তিনি বলেছেন, ‘মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছে এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য। দুর্নীতি, তোলাবাজি, কাটমানি বন্ধ করতে না পারলে মানুষ আমাদের গদি থেকে টেনে নামিয়ে দিতে দু’বার ভাববেন না।’ সম্প্রতি, নিউটাউনে বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপি–র একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে হাজির হয়ে শমীক বলেছিলেন, ‘বিধায়কদের একাংশের বিরুদ্ধে ভূরি ভূরি তোলাবাজি আর কাটমানি খাওয়ার অভিযোগ জমা পড়েছে। আমাদের ২০৮ জন বিধায়ক। ২০–৩০ জন বিধায়ক যদি কমেও যায়, সরকারের কোনও ক্ষতি হবে না। আমার সঙ্গে অমিত শাহের কথা হয়েছে এ বিষয়ে।’