সরকারি পরিকাঠামো প্রকল্পের মান নিয়ে রাজ্য সরকারদের কড়া বার্তা মোদীর
নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পরিকাঠামো প্রকল্পের মান নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন।(Modi infrastructure) তিনি স্পষ্ট করেছেন যে সরকারি কাজের মানে কোনো ছাড় চলবে না। বিদ্যমান নিরীক্ষা…
নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পরিকাঠামো প্রকল্পের মান নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন।(Modi infrastructure) তিনি স্পষ্ট করেছেন যে সরকারি কাজের মানে কোনো ছাড় চলবে না। বিদ্যমান নিরীক্ষা ব্যবস্থা যদি ত্রুটি ধরতে না পারে, তাহলে কোনো অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়। সম্প্রতি ৫৩তম প্রাগতি বৈঠকে তিনি কেন্দ্র ও রাজ্যের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সামনে এই বিষয়টি তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার সেবা তীর্থে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জিজ্ঞাসা করেন, (Modi infrastructure)“আমাদের কি এখন চতুর্থ পক্ষের নিরীক্ষা করতে হবে?” তিনি বলেন, তৃতীয় পক্ষের মান যাচাই চালু থাকলেও প্রকল্পগুলোতে মানজনিত সমস্যার খবর আসছে। এতে বোঝা যায় বিদ্যমান ব্যবস্থা প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছে না। এমন অবস্থা “অগ্রহণযোগ্য” বলে তিনি মন্তব্য করেন এবং জানান, এভাবে ব্যবস্থা চলতে পারে না।
আরও দেখুনঃ ‘আমি নিশ্চিত নই, তবে…’, যুদ্ধবিরতির খবর ফাঁস নিয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন সিডিএস
কেনিয়াতেও এবার সবচেয়ে বড় জ্বালানি সরবরাহকারী হয়ে উঠছে ভারত
রাজনাথের বড় সিদ্ধান্তে DRDO র ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি এবার ভারতীয় সংস্থার হাতে
বৈঠকে রেল, সড়ক ও বিদ্যুৎ খাতের ছয়টি বড় প্রকল্পের পর্যালোচনা করা হয়। এগুলো নয়টি রাজ্যে বিস্তৃত এবং মোট ব্যয় ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পগুলোকে টুকরো টুকরো অংশ হিসেবে না দেখে একীভূতভাবে দেখতে হবে। শুধু একটি অংশ এগোলেই চলবে না, পুরো প্রকল্প সময়মতো শেষ ও চালু হওয়া জরুরি। বিলম্ব শুধু খরচ বাড়ায় না, নাগরিক, ব্যবসা ও অর্থনীতির সুবিধাও পিছিয়ে যায়।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, কাজের গতি বাড়াতে গিয়ে মানে কোনো আপস করা যাবে না। গতির সঙ্গে মানের অটুট সংযোগ থাকতে হবে। মন্ত্রণালয়, রাজ্য সরকার ও বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করতে এবং প্রতিটি পর্যায়ে মান নিশ্চিতকরণ ও তদারকি জোরদার করতে হবে।
বিদ্যুৎ খাতের এক প্রকল্প পর্যালোচনা করতে গিয়ে তিনি উদাহরণ দেন যে শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না, পর্যাপ্ত ট্রান্সমিশন ব্যবস্থাও থাকতে হবে। যেমন বাঁধ বানিয়ে খাল না কাটলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না।
প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় যে সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত প্রকল্পগুলো দীর্ঘস্থায়ী ও নির্ভরযোগ্য হতে হবে। তৃতীয় পক্ষের নিরীক্ষা যদি ত্রুটি ধরতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত তিনি দিয়েছেন। প্রাগতি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিয়মিত পর্যালোচনা করে তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নে দায়বদ্ধতা বাড়াচ্ছেন।