পেঁয়াজের দামে চোখে জল বাংলার, পুজোর আগে কি কমবে? Onion Price Today
খুচরো বাজারে পেঁয়াজের দামে বৃ্দ্ধি:
পাইকারি বাজারে যেহেতু দাম বাড়ছে, তার প্রভাব পড়ছে খুচরো বাজারেও। যেহেতু একদিকে ফলন কম হয়েছে, অন্যদিকে বৃষ্টির জেরে চাষ পিছিয়ে গিয়েছে। তার ফলে মাঝে এমন সময় চলে এসেছে তার জেরে বাজারে জোগান কমে গিয়েছে। বহরমপুরের পাইকারি পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রাকেশ প্রসাদ জানান, সুখসাগর পেঁয়াজ প্রতি বছর মার্চ-এপ্রিল নাগাদ ওঠে এবং সংরক্ষণ করে নভেম্বর পর্যন্ত বেচাকেনা চলে। কিন্তু এই বছর সুখসাগর পেঁয়াজের ফলন ভাল হয়নি। সুখসাগরের পাশাপাশি নাসিক, মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানের গাউটি পেঁয়াজের ফলনও ভাল হয়নি অতিবৃষ্টির কারণে। ফলে চাহিদা ও জোগানের ব্যাপক পার্থক্য ধরা পড়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ ভেন্ডার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কমল দে জানাচ্ছেন, নাসিকে যত পেঁয়াজ হয়, তার বড় অংশ পশ্চিমবঙ্গে আসে। যেহেতু নাসিক থেকে পেঁয়াজের জোগান চাহিদার তুলনায় কমেছে তার প্রভাব পড়ছে বাংলায়। কমল দে জানাচ্ছেন, বাংলাতেও পেঁয়াজ চাষ হয়। আগের তুলনায় পেঁয়াজে এই রাজ্যের স্বনির্ভরতা অনেকটাই বেড়েছে। তিনি বলেন, ‘৬-৭ মাস আমাদের রাজ্যে যা পেঁয়াজ হয়, তা দিয়ে চলে যায়। বাকি মাসগুলির জন্য আমদানি করতে হয়।’ এখন আমদানি যেখান থেকে করতে হয়, সেখান থেকে জোগান কমে গিয়ে দাম বাড়ছে। তাহলে কি পুজোর মুখে আরও দাম বাড়বে? আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন পাইকারি পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রাকেশ প্রসাদ। তিনি বলেন, ‘সুখসাগর পেঁয়াজ এখনও বাজারে রয়েছে বলে ভিন রাজ্যের পেঁয়াজ আমরা এখন প্রতি দিন ৬০টন আমদানি করছি। মাস খানেকের মধ্যে সুখসাগর শেষ হয়ে গেলে ভিন রাজ্য থেকে ২৫০-৩০০ টন আমদানি করতে হবে। তখন দর আরও বাড়বে।’