রংপুর মার্ডার মিস্ট্রি নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন, সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল?
ঘরে নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। হালকা একটি শব্দ কানে আসে গণপতির। শব্দ অনুসরণ করে ছাদে গিয়ে দেখেন দুই যুবক বসে মাদক সেবন করছে। সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার শুরু করেন গণপতি। গলায় যে গামছা পরে তিনি ছাদে গিয়েছিলেন, তা পেঁচিয়েই হত্যা করা হয় গণপতিকে। প্রাথমিক তদন্তে অন্তত পুলিশ এমনটাই জানতে পেরেছে। পুলিশের দাবি, দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়নি। নীচে নেমে এক এক করে বাড়ির বাকি সদস্যদেরও ঠান্ডা মাথায় হত্যা করে তারা। বাংলাদেশের রংপুরে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কিনারা করে এমনটাই জানিয়েছে রংপুর মহানগর পুলিশ।