Nandigram: অন্তঃসত্ত্বা মহিলার চিকিৎসায় গাফিলতি, খাদ্যনালী ও পায়ুনালী ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ | Allegations of negligence in treating a pregnant woman, causing damage to the esophagus and rectum
নন্দীগ্রাম: নন্দীগ্রামে (Nandigram) অন্তঃসত্ত্বা মহিলার চিকিৎসায় গাফিলতির গুরুতর অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে । খাদ্যনালী ও পায়ুনালী ক্ষতিগ্রস্ত করে দেওয়া অভিযোগ পরিবারের। খবর পেয়ে এলাকায় ব্লক স্বাস্থ্যে আধিকারিক ও স্বাস্থ্যে কর্মাধক্ষ ।
অভিযোগ দায়ের থানায়। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের ২ নম্বর ব্লকের সাঁইবাড়িতে।
ওই গ্রামের বাসিন্দা রূপালি ভূঁইয়া। পরিবারের অভিযোগ, সমস্যার জন্য দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় গর্ভপাত করানোর জন্য তিনি গ্রামের চিকিৎসক দেবকুমার দাসের কাছে যান। গৃহবধূর সহ পরিবারের অভিযোগ, গর্ভপাত করানোর সময় তাঁর পেটে তিনটি ফুটো করা হয়। খাদ্যনালী ও পায়ুনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই মহিলা। তাঁকে তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রায় ৯ দিন CCU-তে চিকিৎসাধীন থাকার পর অস্ত্রোপচার করা হয়। বর্তমানে রূপালি তাঁর বাপের বাড়ি নন্দীগ্রামের হানুভূঁইয়া গ্রামে রয়েছেন।
পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্ত চিকিৎসকের কোনও স্বীকৃত ডিগ্রি নেই। তাও এলাকায় চিকিৎসা করছেন। যদিও সমগ্র অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টে রোগীর বাড়ির দিকেই অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন চিকিৎসক সহ আত্মীয়রা। তাঁদের দাবি রোগী সহ পরিবার একটা চক্রান্ত করে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে ও টাকা হাতানোর ধান্দা করছে।
এদিকে, খবর পেয়ে নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলার একটি প্রতিনিধি দল রূপালির বাড়িতে গিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেয়। BMOH ডাঃ নিলয় কুমার প্রধান বলেন, “বিষয়টি আগে আমাদের জানা ছিল না। এখন থেকে আশা কর্মী প্রতিদিন মহিলার বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নেবেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসায় স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।” অন্যদিকে, অভিযুক্ত দেবকুমার দাসের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ গৃহবধূর অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তাঁকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে। এই ঘটনায় ১৮ অগস্ট নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুরো বিষয়টি এখন তদন্তসাপেক্ষ।