বিজেপিকে সন্ন্যাসে পাঠানোর হুঁশিয়ারি মমতার, পাল্টা তোপ শুভেন্দুর
বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে ক্যাথিড্র্যাল রোডে ২১ জুলাই–র সমাবেশ ছাড়া এখনও পর্যন্ত বড় কোনও জমায়েত করতে পারেননি মমতা। হালিশহরে পুলিশ হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মীরা বাড়িতে যাওয়ার পথে প্রবল বিক্ষোভের মুখেও পড়েছেন তিনি। কিছু দিন আগে শ্যামবাজারে সংক্ষিপ্ত একটি কর্মসূচিতে গিয়েও মমতাকে ‘চোর–চোর’ স্লোগান শুনতে হয়েছে। আগামী ২৮ অগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস কোথায় হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
সাংগঠনিক ভাবে তৃণমূলও ছত্রভঙ্গ হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু নাম না–করে মমতার রাস্তায় বেরোনোর উপরে কার্যত ব্যারিকেড করার বার্তা দেওয়ায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে আরও প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হবে বলে তৃণমূল নেতাদেরই পর্যবেক্ষণ। এ দিন, মমতার পথে নামার রোডম্যাপ ভেস্তে দেওয়ার হুঁশিয়ারির পাশাপাশি দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও কালীঘাটকে আরও কোণঠাসা করার ইঙ্গিত দিয়েছেন শুভেন্দু। নবান্নে তিনি বলেন, ‘মানুষ তো শুধু উন্নয়ন ও ভাতার জন্য ভোট দেয়নি, চোরেদের চরম শিক্ষা, শাস্তি দেওয়ার জন্য ভোট দিয়েছে। তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা, সেই সম্পত্তি নিলাম করা, নিলামের টাকা কোষাগারে জমা দেওয়া–– অনেক অ্যাজেন্ডা মানুষ দিয়েছেন। এত তাড়াহুড়ো করছেন কেন? মানুষ ৬০ মাসের জন্য জিতিয়েছেন, সবে ১১০ দিন হয়েছে।’ যদিও মমতা ফেসবুক লাইভে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘আমাদের চোর বলছেন? নিজেরা কী? আয়নায় মুখ দেখুন। বিজেপি কর্মীদের গিয়ে জিজ্ঞেস করুন।’ যদিও শুভেন্দুর সাফ কথা, ‘পুলিশ নিরপেক্ষ রয়েছে বলে উনি শান্তিতে বাড়িতে রয়েছেন। পুলিশ নিরপেক্ষ রয়েছে বলে ওঁর ভাইপো এখনও বাইরে।’