বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের! প্রতিটি জেলায় এবার হবে অন্তত একটি করে পর্যটন কেন্দ্র - 24 Ghanta Bangla News
Home

বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের! প্রতিটি জেলায় এবার হবে অন্তত একটি করে পর্যটন কেন্দ্র

Spread the love

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ সরকার পর্যটন খাতে নতুন করে বড় পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে (One Destination)। রাজ্য সরকার ‘এক জেলা, এক গন্তব্য’ কৌশলের অধীনে প্রতিটি জেলায় অন্তত একটি…

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ সরকার পর্যটন খাতে নতুন করে বড় পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে (One Destination)। রাজ্য সরকার ‘এক জেলা, এক গন্তব্য’ কৌশলের অধীনে প্রতিটি জেলায় অন্তত একটি প্রধান পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। এর পাশাপাশি বড় বড় পর্যটন স্থানে এক হাজারটি পর্যটক সুবিধা কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। এই কেন্দ্রগুলোতে বিশুদ্ধ পানীয় জল, আধুনিক শৌচাগার, অপেক্ষার স্থান এবং শিশুদের জন্য সুবিধা থাকবে।

সরকার সিএসআর তহবিল ব্যবহারের কথাও ভাবছে যাতে রাজ্যের আর্থিক চাপ কিছুটা কমে(One Destination)।এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো প্রতিটি জেলাকে আলাদা পরিচয় দেওয়া। এতদিন অনেক জেলার পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগানো হয়নি। এখন প্রতিটি জেলায় একটি করে প্রধান আকর্ষণ তৈরি করা হবে। তাতে পর্যটকরা সেই জেলার বিশেষত্ব সহজে চিনতে পারবেন। একই সঙ্গে এক হাজারটি সুবিধা কেন্দ্র গড়ে তোলা হলে পর্যটকদের জন্য মৌলিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হবে।

আরও দেখুনঃ মেলেনি টাকা? অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ক্ষোভ মেটাতে জেলায় জেলায় হেল্প ডেস্ক

পরিষ্কার শৌচাগার, বিশুদ্ধ জল এবং বিশ্রামের জায়গা থাকলে পর্যটন অভিজ্ঞতা অনেক উন্নত হয়। শিশুদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখায় (One Destination)পরিবারভিত্তিক পর্যটনও উৎসাহিত হবে।সরকার শুধু পরিকাঠামো তৈরি করেই থেমে থাকছে না। পর্যটনকে অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা চলছে। প্রায় ৪৫০টি বিয়ে পরিকল্পনা সংস্থা রাজ্যে বিলাসবহুল অনুষ্ঠান আয়োজনে আগ্রহ দেখিয়েছে। বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলো বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য আকর্ষণীয়।

এ ধরনের ইভেন্ট বাড়লে স্থানীয় অর্থনীতিতেও গতি আসবে। হোটেল, ক্যাটারিং, সাজসজ্জা এবং পরিবহন খাতে কর্মসংস্থান বাড়বে।এছাড়া অভিজ্ঞতাভিত্তিক অবস্থান বা এক্সপেরিয়েনশিয়াল স্টে-এর পরিকল্পনাও রয়েছে। (One Destination)পর্যটকরা শুধু দেখে ঘুরেই ফিরবেন না, স্থানীয় জীবনযাত্রা, রান্নাবান্না এবং সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় খাবারের প্রদর্শনী এবং বড় আকারের কর্পোরেট ইভেন্ট আয়োজনের কথাও ভাবা হচ্ছে। এতে ব্যবসায়িক পর্যটন বাড়বে এবং রাজ্যের বিভিন্ন স্থান আন্তর্জাতিক মানের ইভেন্ট হোস্ট করার সক্ষমতা অর্জন করবে।

আরও দেখুনঃ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিশেষ STF থানা এবং আদালত বন্ধ নয়! কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে নস্যাৎ করল সুপ্রিমকোর্ট

স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ গুলোকেও এই অর্থনীতিতে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমএসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করা হবে। তাঁরা পর্যটন খাতে কীভাবে অংশ নিতে পারেন, সেই বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন দেওয়া হবে। স্থানীয় হস্তশিল্প, খাবার, গাইড সার্ভিস এবং হোমস্টে ব্যবসায় তাঁদের অংশগ্রহণ বাড়লে পর্যটনের সুফল সরাসরি গ্রামীণ অর্থনীতিতে পৌঁছাবে।

সিএসআর তহবিল ব্যবহারের পরিকল্পনাও গুরুত্বপূর্ণ। অনেক বড় সংস্থা সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পর্যটন অবকাঠামো (One Destination)উন্নয়নে অর্থ দিতে আগ্রহী হতে পারে। এতে সরকারের ওপর আর্থিক চাপ কমবে এবং প্রকল্পগুলো দ্রুত এগোতে পারবে। এক হাজারটি সুবিধা কেন্দ্র তৈরি করা সহজ কাজ নয়। জমি, নির্মাণ এবং রক্ষণাবেক্ষণ সব ক্ষেত্রেই খরচ লাগবে। সিএসআর সহায়তা সেই খরচ মেটাতে সাহায্য করতে পারে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *