জলের নিচে শত্রুদের শেষ করতে ভারত পেল তৃতীয় অ্যান্টি সাবমেরিন 'মাংরোল' - 24 Ghanta Bangla News
Home

জলের নিচে শত্রুদের শেষ করতে ভারত পেল তৃতীয় অ্যান্টি সাবমেরিন ‘মাংরোল’

Spread the love

নয়াদিল্লি: ভারতীয় নৌবাহিনী তাদের তৃতীয় স্বদেশি অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার ( Mangrol ASW)শ্যালো ওয়াটার ক্রাফট বা এএসডব্লিউ-এসডব্লিউসি জাহাজ ‘মাংরোল’ পেয়েছে। এই জাহাজ উপকূলীয় জলে ডুবোজাহাজ ও অন্যান্য…

indian-navy-mangrol-asw-craft

নয়াদিল্লি: ভারতীয় নৌবাহিনী তাদের তৃতীয় স্বদেশি অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার ( Mangrol ASW)শ্যালো ওয়াটার ক্রাফট বা এএসডব্লিউ-এসডব্লিউসি জাহাজ ‘মাংরোল’ পেয়েছে। এই জাহাজ উপকূলীয় জলে ডুবোজাহাজ ও অন্যান্য জলের নিচের হুমকি শনাক্ত এবং মোকাবিলা করার ক্ষমতা আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। স্বদেশি প্রযুক্তিতে তৈরি এই জাহাজ ভারতের নৌশক্তিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

মাংরোল জাহাজটি ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। (Mangrol ASW)অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার শ্যালো ওয়াটার ক্রাফট মূলত অগভীর জলে কাজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়। উপকূলবর্তী এলাকায় ডুবোজাহাজের উপস্থিতি শনাক্ত করা এবং প্রয়োজনে সেগুলোকে মোকাবিলা করাই এর প্রধান কাজ। ভারতের বিশাল উপকূলরেখা রক্ষায় এ ধরনের জাহাজ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। মাংরোল সেই প্রয়োজন মেটাতেই তৈরি করা হয়েছে।

আরও দেখুনঃ দীর্ঘ ৭ বছর পর রাজধানীতে BRICS সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন চিনা রাষ্ট্রপতি জিনপিং

এটি ভারতীয় নৌবাহিনীর তৃতীয় স্বদেশি এএসডব্লিউ-এসডব্লিউসি জাহাজ। এর আগেও একই শ্রেণির দুটি জাহাজ নৌবাহিনীর বহরে যোগ হয়েছিল। ( Mangrol ASW)মাংরোলের আগমনে এই শ্রেণির জাহাজের সংখ্যা তিনটিতে পৌঁছেছে। স্বদেশিভাবে তৈরি হওয়ায় এটি আত্মনির্ভর ভারত বা মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগের সাফল্য হিসেবেও দেখা হচ্ছে। দেশীয় শিপইয়ার্ডে তৈরি এই জাহাজ প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং উৎপাদন ক্ষমতার পরিচায়ক।

উপকূলীয় নিরাপত্তা ভারতের জন্য সবসময়ই অগ্রাধিকার। আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী এলাকায় বিভিন্ন ধরনের হুমকি থাকতে পারে। ডুবোজাহাজের গোপন উপস্থিতি সেই হুমকিগুলোর মধ্যে অন্যতম।

আরও দেখুনঃ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিশেষ STF থানা এবং আদালত বন্ধ নয়! কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে নস্যাৎ করল সুপ্রিমকোর্ট

মাংরোলের মতো জাহাজ আধুনিক সোনাহার এবং অন্যান্য সেন্সর দিয়ে সজ্জিত। এগুলো পানির নিচের বস্তু শনাক্ত করতে সাহায্য করে। প্রয়োজনে সেগুলোকে মোকাবিলা করার জন্য প্রয়োজনীয় অস্ত্রও থাকে। ফলে উপকূলীয় জলে নৌবাহিনীর নজরদারি আরও শক্তিশালী হবে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *