কৃত্রিম আকাল রুখতে কড়া প্রশাসন! মূল্যবৃদ্ধি সামাল দিতে বাজারে বাজারে ইবি
নয়াদিল্লি: সাধারণ মানুষের হেঁশেলে এখন রীতিমতো আগুন। রোজকার ব্যবহারের জিনিসপত্র যেমন- পেঁয়াজ, রসুন, ভোজ্যতেল ও চিনির মূল্য বর্তমানে আকাশছোঁয়া। এই লাগামছাড়া দরবৃদ্ধির জেরে আমজনতার নাভিশ্বাস…
নয়াদিল্লি: সাধারণ মানুষের হেঁশেলে এখন রীতিমতো আগুন। রোজকার ব্যবহারের জিনিসপত্র যেমন- পেঁয়াজ, রসুন, ভোজ্যতেল ও চিনির মূল্য বর্তমানে আকাশছোঁয়া। এই লাগামছাড়া দরবৃদ্ধির জেরে আমজনতার নাভিশ্বাস ওঠার পরিস্থিতি রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বাজারদর স্বাভাবিক করতে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বেআইনি মজুতদারি রুখে দিতে প্রশাসন কড়া পদক্ষেপের পথে হেঁটেছে।
রাজ্যের শীর্ষ মহলের কড়া বার্তার পরেই মঙ্গলবার সকাল থেকে মহানগরীর বিভিন্ন বড় বাজারে তল্লাশিতে নামে ইবি (EB)। এর আগে সোমবার রাতে লালবাজারের তরফে ১০টি বিশেষ দল তৈরি করা হয়। এদিন সাতসকালেই এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের ওই দলগুলি শিয়ালদহের কোলে মার্কেট ও ভবানীপুর এলাকার যদুবাবুর বাজার-সহ শহরের নানা প্রান্তে হানা দেয়। অসাধু উপায়ে তেল, চাল বা চিনি আটকে রেখে বাজারে যাতে কোনওরকম কৃত্রিম অভাব তৈরি করা না হয়, তা নিশ্চিত করতেই প্রতিটি দোকানে ঘুরে এই বিশেষ চেকিং চলে।
নবান্নের কড়া অবস্থান
গত সোমবারই রাজ্য প্রশাসনের সদর দফতর নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী কড়া ভাষায় অসাধু মজুতদারদের সতর্ক করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি ক্রেতাদের আশ্বস্ত করেন যে, চিনির দর দ্রুত সাধারণের সাধ্যের মধ্যে চলে আসবে। তিনি স্পষ্ট জানান, ঠিক কোথায় সমস্যা হচ্ছে তা সরকার ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করে ফেলেছে এবং খুব জলদি তার সমাধান করা হবে। রাজ্যে কোনওরকম দুর্নীতি বা বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না বলেও প্রশাসন কড়া বার্তা দিয়েছে।
বাজারের একাংশ ব্যবসায়ীর মতে, ইথানল সংক্রান্ত সমস্যার কারণে বিগত তিন সপ্তাহেরও কম সময়ে কেজিপ্রতি চিনির দর প্রায় কুড়ি টাকা চড়ে গিয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার ইথানল তত্ত্বের এই দাবি মানতে নারাজ। তবে শুধু চিনি নয়, পাশাপাশি চাল, ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ-রসুনের মতো অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর আগুন-দামে মধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত সামাল দিতেই তাই তৎপরতা বাড়িয়েছে সরকার।
জেলায় জেলায় শুরু চেকিং
রাজধানী কলকাতার গণ্ডি ছাড়িয়ে জেলা স্তরেও শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রশাসনিক নজরদারি। বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর এলাকার বিভিন্ন মাছের আড়ত, দোকানপাট এবং হোটেলগুলিতে প্রশাসনিক আধিকারিকরা আচমকা পরিদর্শন করেন। বেআইনিভাবে পণ্য আটকে রাখার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ক্রেতাদের খাদ্য সুরক্ষার দিকটিও গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?
বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা