কাকলি-দেব-সহ ২০ দলত্যাগী সাংসদকে নোটিস শীর্ষ আদালতের - 24 Ghanta Bangla News
Home

কাকলি-দেব-সহ ২০ দলত্যাগী সাংসদকে নোটিস শীর্ষ আদালতের

Spread the love

নয়াদিল্লি: সদ্যসমাপ্ত রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোতেই তৃণমূলের অন্দরে বড়সড় ভাঙন। জোড়াফুল ছেড়ে ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্‌স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ বা এনসিপিআই-তে (NCPI) যোগ দিয়েছেন ২০ জন…

নয়াদিল্লি: সদ্যসমাপ্ত রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোতেই তৃণমূলের অন্দরে বড়সড় ভাঙন। জোড়াফুল ছেড়ে ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্‌স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ বা এনসিপিআই-তে (NCPI) যোগ দিয়েছেন ২০ জন লোকসভা সাংসদ। এবার সেই বিদ্রোহী সাংসদদের পদ খারিজের দাবিতে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মামলার শুনানিতেই মঙ্গলবার কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দীপক অধিকারী (দেব), সায়নী ঘোষ-সহ ২০ জন সাংসদকে নোটিস জারি করল শীর্ষ আদালত। পাশাপাশি, লোকসভার স্পিকার এবং সেক্রেটারি জেনারেলেরও বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছে।

এদিন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলীর বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। কেন্দ্রের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা স্পিকারের পক্ষে সওয়াল করে জানান, সংশ্লিষ্ট বিদ্রোহী সাংসদদের ইতিমধ্যেই নোটিস দেওয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি বাগচীর তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, “বিষয়টি শুধু নোটিস জারির নয়; বরং একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে এই বিতর্কের মীমাংসা হওয়া প্রয়োজন।” আগামী দু’সপ্তাহ পর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

তৃণমূলের অভিযোগ, সংবিধানের দশম তফসিল বা দলত্যাগ বিরোধী আইন (Anti-Defection Law) অনুযায়ী ওই ২০ সাংসদের পদ খারিজের জন্য লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আগেই আবেদন জানানো হয়েছিল। গত ২৭ জুলাই লিখিত চিঠি এবং ১২ অগস্ট স্পিকারের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখাও করেন অভিষেক। কিন্তু তারপরেও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

তৃণমূলের দাবি, সাংসদ পদের যোগ্যতার ফয়সালা স্পিকার অনির্দিষ্টকালের জন্য ঝুলিয়ে রাখতে পারেন না। সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী রায় অনুযায়ী, নির্দিষ্ট এবং যুক্তিযুক্ত সময়ের মধ্যেই স্পিকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

বিদ্রোহীদের অবস্থান

বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতৃত্বে থাকা কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দাবি, তাঁরা এনসিপিআই-এর সঙ্গে সংযুক্ত (merger) হয়েছেন এবং লোকসভায় তাঁদের আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। যদিও তৃণমূলের অভিযোগ, দলের সদস্যপদ ও আনুগত্য ছেড়ে তাঁরা এনডিএ-র (NDA) কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সংসদে তাঁদের বসার জায়গা বদল হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের আলাদা দলের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। এই আবহে শীর্ষ আদালতের হস্তক্ষেপে দলত্যাগ বিতর্কের জল কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?

বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *