‘জটিলতা’ কাটিয়ে শিল্পনীতি তৈরিতে আরও এক মাস চান স্বপন
নয়া শিল্পনীতি তৈরির আগে কোন কোন বিষয় নিয়ে মূলত নজর দিতে হচ্ছে সরকারকে?
শিল্প দপ্তর সূত্রের খবর, শিল্পনীতি তৈরির আগে রাজ্যের শিল্পমহল, উদ্যোগপতি ও বণিকসভার প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন দপ্তরের মন্ত্রী ও আধিকারিকরা। সেখানে আলোচনায় মূলত যে বিষয়গুলি উঠে এসেছিল, সেগুলি হলো— ইনসেনটিভ নীতি, ল্যান্ড ব্যাঙ্ক তৈরিতে একলপ্তে জমি পাওয়ার সমস্যা এবং শহরাঞ্চলের জমি আইন বা আর্বান ল্যান্ড সিলিং অ্যাক্ট। রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষ আধিকারিক এ দিন বলেন, ‘জমি সংক্রান্ত বেশকিছু আইনি সমস্যা রয়েছে। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর খতিয়ে দেখছে, আইনের কোন কোন অংশ কী ভাবে বদল করে সেটা আরও শিল্পবান্ধব করা যায়।’ ওই আধিকারিকের সংযোজন, ‘ইনসেনটিভ নিয়েও একটা বড় জটিলতা আছে। পূর্বতন সরকার বিনিয়োগকারী শিল্পসংস্থাগুলিকে ইনসেনটিভ বাবদ প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকার মতো প্রাপ্য দেয়নি। এর ফলে শিল্প মহলে একটা ক্ষোভ আছে। ২০২৫–এ তৃণমূল সরকার আইন করে ইনসেনটিভ বন্ধ করে দেয়। তার আগেই এই টাকা শিল্পসংস্থাগুলির প্রাপ্য ছিল। এই বিষয়টি আদালতেও গড়িয়েছে। ফলে ইনসেনটিভ সংক্রান্ত পুরোনো আইন প্রত্যাহার করে নতুন আইন আনতে হবে। সেই বিষয়টি নিয়ে আইনি পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।’