কৃষকদের গরু চুরি করে জবাই! কান ধরে ইকরামকে প্যারেড করাল ডবল ইঞ্জিন পুলিশ
ভোপালের করোন্দ এলাকার কমল নগরে গত এক মাস আগে ঘটে যাওয়া গরুর (Bhopal)চুরি ও জবাইয়ের মামলায় পলাতক প্রধান অভিযুক্ত মোহাম্মদ ইকরাম অবশেষে পুলিশের জালে ধরা…
ভোপালের করোন্দ এলাকার কমল নগরে গত এক মাস আগে ঘটে যাওয়া গরুর (Bhopal)চুরি ও জবাইয়ের মামলায় পলাতক প্রধান অভিযুক্ত মোহাম্মদ ইকরাম অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন। কৃষকদের গরু চুরি করে জবাই করার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। কৃষক ও বজরং দলের সদস্যরা অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
প্রায় এক মাস ধরে পালিয়ে বেড়ানোর পর পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে (Bhopal )এবং কান ধরিয়ে রাস্তায় প্যারেড করে ঘটনাস্থলে নিয়ে গেছে।পুলিশের মতে, ঘটনার পর থেকেই ইকরাম পলাতক ছিলেন। তাঁকে ধরতে পুলিশ ক্রমাগত তল্লাশি চালাচ্ছিল। স্থানীয় কৃষকরা ও হিন্দু সংগঠনগুলোর চাপে তদন্তে গতি আসে। গ্রেফতারের পর পুলিশ ইকরামকে করোন্দ চৌরাহা থেকে পিপল চৌরাহা হয়ে ঘটনাস্থল কমল নগর পর্যন্ত নিয়ে যায়।
আরও দেখুনঃ পাকিস্তান সরকারের অর্থায়নে রেকর্ড সময়ে পুনর্নির্মাণ হল সিঁদুরে মাটিতে মিশে যাওয়া জৈশ র সদর দফতর
এই সময় অভিযুক্ত কান ধরে ক্ষমা চেয়েছেন এবং গরু হত্যা পাপ বলে স্লোগান দিয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।মধ্যপ্রদেশে গরু জবাই নিষিদ্ধ এবং আইনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় কৃষকরা ব্যাপক ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, ইকরাম ও তাঁর সঙ্গীরা কৃষকদের গরু চুরি করে জবাই করে মাংস বিক্রি করতেন। বজরং দলসহ স্থানীয় সংগঠনগুলো বিষয়টি পুলিশের নজরে আনে এবং দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানায়।
পুলিশ বলছে, অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে (Bhopal)এবং তদন্ত এখনও চলছে।এই গ্রেফতার স্থানীয় মহলে স্বস্তি এনেছে। অনেক কৃষক বলছেন, গরু তাঁদের জীবিকার অংশ এবং এমন ঘটনায় তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন। পুলিশের এই পদক্ষেপ অন্যান্য অভিযুক্তদেরও সতর্ক করে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে কিছু মহল থেকে প্রশ্ন উঠেছে যে পুলিশ অভিযুক্তকে রাস্তায় শোভাযাত্রা করানোর প্রয়োজন ছিল কি না।
পুলিশের দাবি, এটি তদন্তের অংশ এবং জনগণের আস্থা ফেরাতে নেওয়া হয়েছে।ভোপালে গত কয়েক মাসে গরু জবাই ও মাংস পাচার নিয়ে বেশ কয়েকটি ঘটনা সামনে এসেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসব মামলায় কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। ইকরামের গ্রেফতারের পর পুলিশ আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে যাতে অন্যান্য জড়িতদেরও ধরা যায়।
আরও দেখুনঃ নীতি আয়োগের প্রতিবেদনে চাঞ্চল্য! দেশের ৮.৭ কোটি যুবক-যুবতী সম্পূর্ণ বেকার
আদালতে হাজির করার পর তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। (Bhopal)এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে যে পশু চুরি ও অবৈধ জবাই বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে আরও সতর্ক থাকতে হবে। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা এবং আইন মেনে চলার বার্তা দিতে পুলিশের এই অভিযান গুরুত্বপূর্ণ। ইকরামের গ্রেফতার মামলার তদন্তে নতুন মোড় এনেছে এবং এখন দেখার বিষয়, অন্যান্য অভিযুক্তরাও ধরা পড়ে কি না।