Anandapur chaos: আনন্দপুরে সংঘর্ষ, কাঠগড়ায় পালাবদলের পর শিবির বদল করা তৃণমূলের লোকজন | Clashed over a feast in Kolkata’s Anandapur, with allegations that newcomers from TMC organised the event using extortion money - 24 Ghanta Bangla News
Home

Anandapur chaos: আনন্দপুরে সংঘর্ষ, কাঠগড়ায় পালাবদলের পর শিবির বদল করা তৃণমূলের লোকজন | Clashed over a feast in Kolkata’s Anandapur, with allegations that newcomers from TMC organised the event using extortion money

Spread the love

প্রীতিভোজের আয়োজন ঘিরে উত্তেজনাImage Credit: TV9 Bangla

কলকাতা: মিলন উৎসব প্রীতিভোজের অনুষ্ঠান ঘিরে তুলকালাম আনন্দপুরে। দফায় দফায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ। অভিযোগ, তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসা লোকজন তোলাবাজির টাকায় প্রীতিভোজের আয়োজন করেছে। আদি বিজেপি নেতারা প্রতিবাদ জানাতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। দুই পক্ষের হাতাহাতিতে রক্তারক্তি। মাথা ফাটল এক বিজেপি কর্মীর। আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের একাংশের দাবি, ৪ মে পালাবদলের পর শিবির বদল করা তৃণমূলের লোকজনই দফায় দফায় অশান্তি তৈরি করছে।

শনিবার রাতে আনন্দপুর থানা এলাকায় ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রীতিভোজের আয়োজনকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। এক গোষ্ঠীর অভিযোগ, তোলাবাজির টাকায় প্রীতিভোজের আয়োজন করেছিল নব্য বিজেপিরা। যারা এতদিন তৃণমূল করত। পাল্টা অপর গোষ্ঠীর দাবি, তৃণমূলের লোকেদের সঙ্গে নিয়ে প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়েছেন বিজেপির মণ্ডল সভাপতি। অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় আনন্দপুর মাঠের কাছে।

ঘটনার রেশ মধ্যরাতে গড়ায় থানার সামনে পর্যন্ত। যেখানে পুলিশের উপস্থিতিতেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। প্রথমে বিজেপির একপক্ষ থানায় আসে ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপির মণ্ডল সভাপতি অরুণ বিষই এবং তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ দায়ের করতে। সেখানেই হাজির হন মণ্ডল সভাপতি এবং তাঁর সমর্থকরা। এরপরই দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়।

দুই পক্ষই পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছে। পুলিশের সামনে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। মণ্ডল সভাপতি অরুণ বিষইয়ের অভিযোগ, প্রীতিভোজের জন্য তাঁর নাম ভাঙিয়ে এবং দলের নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলা হয়েছে। যে টাকায় ১০০০ জনের বেশি লোকের জন্য খাসির মাংস, কাতলা মাছ এবং গলদা চিংড়ির আয়োজন করা হয়েছিল।

মণ্ডল সভাপতির আরও দাবি, যারা প্রীতিভোজের আয়োজন করেছিল, তারা ৪ মে-র পর তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসেছে এবং তৃণমূলের কায়দায় তোলাবাজি করছে। তারই প্রতিবাদ জানাতে গিয়েছিলেন তাঁরা। তাঁদের তখন মারধর করা হয়েছে।

বিজেপির স্থানীয় এক নেত্রী বলেন, “আমাদের দল ক্ষমতায় আসার পর ৪ তারিখের পর যারা তৃণমূল থেকে বিজেপি হয়েছে, তাদের নিয়ে সরস্বতী সরকার দল করছে। তারা খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করে। খাসির মাংস, গলদা চিংড়ি, কাতলা মাছ। এগুলো কীভাবে হচ্ছে? আমরা দীর্ঘদিন খেটে, তৃণমূলের মার খেয়ে একটা মাছ-ভাতের আয়োজন করতে পারিনি। ওরা খাসির মাংসের আয়োজন কোথা থেকে করছে? সোনার দোকান থেকে টাকা নিয়েছে।”

Anandapur Chaos (1)

সংঘর্ষে জখম হয়েছেন একজন

অন্যদিকে প্রীতিভোজের আয়োজন যাঁরা করেছিলেন, তাঁদের দাবি, মণ্ডল সভাপতি দলবল নিয়ে তাঁদের অনুষ্ঠানে চড়াও হয়ে মারধর করেছেন। তাঁরাও নিজেদের পুরনো বিজেপি কর্মী বলে দাবি করেন। আনন্দপুরের ঘটনা নিয়ে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, “কার প্রীতিভোজ আমি জানি না। যদি আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হয়, পুলিশ আছে দেখবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *