২০৩৫ র মধ্যে ভারত তৈরী করবে নিজের স্পেস স্টেশন! ঘোষণা ISRO চেয়ারম্যানের - 24 Ghanta Bangla News
Home

২০৩৫ র মধ্যে ভারত তৈরী করবে নিজের স্পেস স্টেশন! ঘোষণা ISRO চেয়ারম্যানের

Spread the love

নয়াদিল্লি: ভারত ২০৩৫ সালের মধ্যে নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে (space station)। ইসরোর চেয়ারম্যান ড. ভি. নারায়ণন রবিবার এই তথ্য জানিয়েছেন। প্রস্তাবিত…

নয়াদিল্লি: ভারত ২০৩৫ সালের মধ্যে নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে (space station)। ইসরোর চেয়ারম্যান ড. ভি. নারায়ণন রবিবার এই তথ্য জানিয়েছেন। প্রস্তাবিত ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন বা ভারতীয় আন্তরীক্ষ স্টেশনের প্রথম মডিউল ইতিমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে বলে তিনি জানান। আহমেদাবাদে তৃতীয় জাতীয় মহাকাশ দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা করেন।

নারায়ণন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দূরদর্শী নেতৃত্বে অনেক কর্মসূচি এগোচ্ছে। (space station)গগনযান কর্মসূচির পাশাপাশি ভারত নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন গড়ার কাজও চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রথম মডিউল অনুমোদিত হয়েছে এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে পুরো স্টেশন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য রয়েছে। এই স্টেশনকে ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন নামে অভিহিত করা হচ্ছে।ভারতের মহাকাশ কর্মসূচি ৬৪ বছর আগে শুরু হয়েছিল।

আরও দেখুনঃ ভারত-চিন সীমান্ত আলোচনায় সোমবারেই চিন সফরে অজিত দোভাল

আজ সেই কর্মসূচি সাধারণ মানুষের জীবনের ৫০টিরও বেশি ক্ষেত্রে সেবা দিচ্ছে। (space station)পৃথিবী পর্যবেক্ষণ, দূর সংবেদন, টেলিযোগাযোগ, টেলিভিশন সম্প্রচার, দূরশিক্ষা, দুর্যোগ সতর্কতা ও প্রশমন, নাগরিকদের নিরাপত্তা, ন্যাভিগেশন এবং রিয়েল-টাইম মনিটরিং এসব ক্ষেত্রে মহাকাশ প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। নারায়ণন এই অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে ভবিষ্যতের পরিকল্পনার দিকে আলোকপাত করেন।গগনযান কর্মসূচি মানব মহাকাশযাত্রার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এটি জটিল ও প্রযুক্তিনির্ভর। মানুষকে নিরাপদে মহাকাশে পাঠিয়ে ফিরিয়ে আনা চ্যালেঞ্জিং কাজ। (space station)ইসরো এই লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এ বছর প্রথম মানববিহীন মিশন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে, তারপর মানব মিশন। এই কর্মসূচির সঙ্গে মহাকাশ স্টেশনের পরিকল্পনা যুক্ত।ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশনের প্রথম মডিউল ২০২৮ সালের মধ্যে উৎক্ষেপণের লক্ষ্য রয়েছে।

আরও দেখুনঃ পাকিস্তান সরকারের অর্থায়নে রেকর্ড সময়ে পুনর্নির্মাণ হল সিঁদুরে মাটিতে মিশে যাওয়া জৈশ র সদর দফতর

পরে ধাপে ধাপে অন্যান্য মডিউল যুক্ত করে ২০৩৫ সালের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ স্টেশন গড়ে তোলা হবে।(space station) এই স্টেশন মাইক্রোগ্র্যাভিটি গবেষণা, জীবনবিজ্ঞান, ঔষধ, উপকরণ বিজ্ঞান ও উৎপাদন প্রযুক্তিতে নতুন সম্ভাবনা খুলে দেবে। এটি ভারতকে দীর্ঘমেয়াদি মানব উপস্থিতির ক্ষেত্রে এগিয়ে নিয়ে যাবে।জাতীয় মহাকাশ দিবসের থিম ছিল উদ্ভাবন, সহযোগিতা এবং মহাকাশ খাতে বৈশ্বিক নেতৃত্বের আকাঙ্ক্ষা।

নারায়ণন বলেন, ভারত এখন মহাকাশ প্রযুক্তিতে বিশ্বের নজর কাড়ছে। (space station)চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণ, সূর্য পর্যবেক্ষণ মিশন এবং ডকিং পরীক্ষার মতো সাফল্য ইসরোর সক্ষমতাকে প্রমাণ করেছে।

ভবিষ্যতে শুক্র অরবিটার মিশনসহ আরও অনেক উদ্যোগ আসছে।মহাকাশ স্টেশন স্থাপন মানে শুধু প্রযুক্তিগত অর্জন নয়, এটি জাতীয় গর্ব ও বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির প্রতীক। এটি ভারতকে মহাকাশ গবেষণায় স্বনির্ভর করে তুলবে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন দ্বার খুলবে। ইসরো শিল্প ও স্টার্টআপদের সঙ্গে কাজ করে এই লক্ষ্য অর্জনে এগোচ্ছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *