বদলে গেল নিয়ম! এবার মাত্র ১ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়েও কাজ করার সুযোগ পাওয়া যাবে সুপ্রিমকোর্টে - 24 Ghanta Bangla News
Home

বদলে গেল নিয়ম! এবার মাত্র ১ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়েও কাজ করার সুযোগ পাওয়া যাবে সুপ্রিমকোর্টে

Spread the love

নয়াদিল্লি: ভারতের বিচারব্যবস্থায় নতুন করে দ্বার খুলে গেছে তরুণ আইনজীবীদের জন্য(Supreme Court)। সুপ্রিম কোর্ট প্রবেশপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় চাকরির পরীক্ষায় যোগ্যতার নিয়ম বদলে দিয়েছে। এতদিন যেখানে…

নয়াদিল্লি: ভারতের বিচারব্যবস্থায় নতুন করে দ্বার খুলে গেছে তরুণ আইনজীবীদের জন্য(Supreme Court)। সুপ্রিম কোর্ট প্রবেশপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় চাকরির পরীক্ষায় যোগ্যতার নিয়ম বদলে দিয়েছে। এতদিন যেখানে আইন পেশায় কমপক্ষে তিন বছরের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক ছিল, এখন তা কমিয়ে এক বছর করা হয়েছে। এই পরিবর্তন তরুণ আইন স্নাতকদের জন্য এক বড় সুযোগ নিয়ে এসেছে।

পাশাপাশি একটি সাময়িক ছাড়ও রাখা হয়েছে। (Supreme Court)২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত আইন স্নাতকরা কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই আবেদন করতে পারবেন। তবে নির্বাচিত প্রার্থীদের দুই বছরের কাঠামোবদ্ধ প্রশিক্ষণ ও ক্লার্কশিপ সম্পন্ন করতে হবে।এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে বিচার বিভাগে তরুণ প্রতিভার অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্য। দীর্ঘদিন ধরে তিন বছরের অভিজ্ঞতার শর্ত অনেক মেধাবী আইন স্নাতককে নিরুৎসাহিত করত।

আরও দেখুনঃ শাস্তি হবেই! লাহোরে থাকা পহেলগাঁও মৃত্যুমিছিলের ভিলেন হাফিজ সাঈদকে শমন পাঠাচ্ছে মোদী সরকার

পেশায় পা রাখার পর তিন বছর অপেক্ষা করা অনেকের পক্ষেই সহজ ছিল না। (Supreme Court)এখন সেই সময়সীমা কমিয়ে এক বছর করায় দ্রুত বিচার বিভাগে প্রবেশের পথ সুগম হয়েছে। সাময়িক ছাড়ের ফলে যারা সদ্য পাশ করেছেন বা করবেন, তাঁরাও ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত সুযোগ পাবেন। এতে বিচার বিভাগে নতুন মুখের সংখ্যা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।তবে সুপ্রিম কোর্ট শুধু যোগ্যতার শর্ত শিথিল করেই ক্ষান্ত হয়নি।

নির্বাচিত প্রার্থীদের জন্য দুই বছরের বিশেষ প্রশিক্ষণ ও ক্লার্কশিপ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। (Supreme Court)এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁরা বিচারকার্যের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন। আদালতের কার্যপ্রণালী, মামলা পরিচালনা, রায় লেখার কৌশল এবং নৈতিক দিকগুলো গভীরভাবে শিখবেন। ক্লার্কশিপের সময় তাঁরা অভিজ্ঞ বিচারকদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাবেন।

আরও দেখুনঃ শিখ দাঙ্গার মাথা সজ্জন কুমার হিরো নয়! ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে রাহুল গান্ধীর বাড়ি ঘেরাও শিখদের

এতে তাত্ত্বিক জ্ঞানের সঙ্গে বাস্তব দক্ষতা মিশে একজন যোগ্য বিচারক তৈরি হবেন।বিচার বিভাগে নিয়োগের মান বজায় রাখার বিষয়টিও মাথায় রাখা হয়েছে। অভিজ্ঞতা কমানো হলেও প্রশিক্ষণের সময় বাড়িয়ে সেই ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করা হয়েছে। দুই বছরের কাঠামোবদ্ধ প্রশিক্ষণ প্রার্থীদের আরও দায়িত্বশীল ও দক্ষ করে তুলবে। আদালতের পরিবেশ, মামলার চাপ এবং সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার আশা এসব বিষয় তাঁরা সরাসরি অনুভব করতে পারবেন।

এতে ভবিষ্যতে বিচারকার্যের মান আরও উন্নত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। (Supreme Court)তরুণ আইনজীবীদের মধ্যে এই সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, এতদিন তিন বছরের শর্তের কারণে অনেকেই স্বপ্ন পূরণ করতে পারতেন না। এখন এক বছরের অভিজ্ঞতায় আবেদনের সুযোগ পাওয়ায় তাঁদের উৎসাহ বেড়েছে। সাময়িক ছাড়ের ফলে যারা এখনও পেশায় প্রবেশ করেননি, তাঁরাও পরীক্ষায় বসতে পারবেন।

আরও দেখুনঃ আদালত জামিন দিলেও আর্থিক দুর্নীতি PMLA তে তা কার্যকর হবে না! নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের

এতে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং মেধাবী প্রার্থীদের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে। (Supreme Court)বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তরুণ বিচারকরা নতুন চিন্তাভাবনা ও প্রযুক্তির সঙ্গে আরও দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারবেন। আধুনিক যুগে বিচারব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। তরুণ প্রজন্ম সেই পরিবর্তনের সঙ্গে সহজে মানিয়ে নিতে সক্ষম। দুই বছরের প্রশিক্ষণ তাঁদের সেই দক্ষতা আরও বাড়িয়ে দেবে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *