ছটের আনন্দে বিষাদের ছায়া! চম্পারণে বেপরোয়া বাসের চাকায় পিষ্ট ৫ দর্শনার্থী
চম্পারণ: ছটপুজোর আনন্দোৎসব মুহূর্তের মধ্যে পরিণত হলো শ্মশানের হাহাকারে। রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে উৎসবের জলসা দেখছিলেন বহু মানুষ। আর ঠিক সেই সময়েই সাক্ষাৎ যমদূতের মতো ভিড়ের…
চম্পারণ: ছটপুজোর আনন্দোৎসব মুহূর্তের মধ্যে পরিণত হলো শ্মশানের হাহাকারে। রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে উৎসবের জলসা দেখছিলেন বহু মানুষ। আর ঠিক সেই সময়েই সাক্ষাৎ যমদূতের মতো ভিড়ের মধ্যে ছুটে এল একটি যাত্রীবাহী বাস! বিহারের চম্পারণ জেলায় ঘটা এই ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ৫ জন নিরীহ গ্রামবাসী। আহত অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আরও ৫ জন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার রাত ১১টা নাগাদ বেতিয়া-লৌরিয়া রাস্তায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। বাসভারাইয়া ও পারাউটোলার মাঝে ধর্মেন্দ্র দুবে নামে এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে ছট উপলক্ষে একটি জলসার আয়োজন হয়েছিল। রাতের দিকে আশপাশের গ্রামের অনেকেই ভিড় জমিয়েছিলেন সেই জলসায়। অনেকেই রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, ঠিক সেই সময়েই গোরখপুর থেকে বেতিয়াগামী একটি বাস প্রচণ্ড গতিতে ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। আচমকাই বাসের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাসটি সোজা ওই ভিড়ের মধ্যে ঢুকে পড়ে। বেপরোয়া বাসের চাকায় পিষ্ট হন একাধিক মানুষ। চারদিকে শুরু হয়ে যায় চিৎকার ও হুড়োহুড়ি।
রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন অনেকে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুই গ্রামবাসীর। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। স্থানীয়দের সাহায্যে পুলিশ বাকিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। কিন্তু সেখানে চিকিৎসা চলাকালীন আরও তিন জনের মৃত্যু হয়। জখম পাঁচ জন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে খবর।
রাতের অন্ধকারে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘাতক বাসের চালক মদ্যপ অবস্থায় ছিল কি না বা ঠিক কীভাবে সে নিয়ন্ত্রণ হারাল, তা জানতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?
বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা