পাক চর? এসটিএফের জালে শিলিগুড়ির এক
১৫ অগস্ট স্বাধীনতা দিবসের সকালে দিনহাটায় তিন আইএসআই চর গ্রেপ্তার হন। এই খবরে একেবারে তোলপাড় শুরু হয়। তদন্তে উঠে আসে যে, ভারতীয় সিম বাংলাদেশের নাগরিক সম্রাট নামে এক ব্যক্তির হাত ধরে ঢাকা এবং কাঠমান্ডু হয়ে চলে যেত পাকিস্তানে। আর ভারতীয় সিম কিনে তা পাঠানোর কাজ করতেন গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা। এরা জাল ভারতীয় মুদ্রা এবং গোরু পাচারের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছে বলে খবর। পাকিস্তানের লাহোর, রাওয়ালপিন্ডি, করাচি–সহ বিভিন্ন শহরে ইতিমধ্যেই পৌঁছেছে সেই সিম। সেখান থেকে সেই সিমের মাধ্যমে পাঞ্জাব এবং রাজস্থান সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ কলের মাধ্যমে পরিচালনা করা হতো। চলত তথ্য আদান-প্রদান। এত বড় কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার হলেন চার জন। প্রদীপ্তকে যে পুলিশ খুঁজছে, তা আগেই প্রকাশিত করা হয়েছিল। এসটিএফ যে সাত জনের নামে সাহেবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে তাতেও নাম ছিল প্রদীপ্তর। অবশেষে এসটিএফের জালে ধরা পড়েলেন।