HM Amit Shah Praises CM Suvendu Adhikari: শুভেন্দু আমলে ‘ফোন করলেই পারমিশন, চিঠি যায় পরে’, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুত্বের গল্পও বলে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ | Union Home Minister Amit Shah Praises CM Suvendu Adhikari, Says He Give Permission First, Receive Letter later
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।Image Credit: PTI
শিলিগুড়ি: রাজ্যে বিজেপি সরকারের ১০০ দিন পূর্তি। বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় কার্পেট বম্বিং করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ক্ষমতায় আসার পরও তিনি রাজ্যে সফরে এসেছিলেন। এবার এসএসবি-র অনুষ্ঠানে যোগ দিতে উত্তরবঙ্গে এলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ। সেই অনুষ্ঠান থেকে ভূয়সী প্রশংসা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর রাজ্যের জন্য কী কী পরিবর্তন হয়েছে, কেন্দ্রের কী সুবিধা হয়েছে-তাও ব্যাখ্যা দিলেন।
এ দিন মঞ্চে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “আমি শুভেন্দুজির ভূরি ভূরি প্রশংসা করতে চাই। যবে থেকে উনি এসেছেন, আমাদের সীমা সুরক্ষা নিয়ে যা-ই সহযোগিতার প্রয়োজন হোক, ফোন করলেই পারমিশন পাওয়া যায়। চিঠি তো পরে যায়।”
এরপর তিনি বলেন, “শুভেন্দুজি বলেছেন, এই প্রথম এসএসবি-র অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর আসার সুযোগ হয়েছে। আমি একটু সংশোধন করে বলছি, আমরা তো আগের মুখ্যমন্ত্রীকেও ডাকতাম। তিনি কখনও আসেননি। এসএসবি হোক বা বিএসএফ, এটা কোনও রাজনৈতিক দল বা সরকারি এজেন্সি নয়। এটা দেশের সীমায় সুরক্ষায় মোতায়েন শক্তি। দল, রাজনীতি নির্বিশেষে , তা সে বাংলাতেই হোক বা কেন্দ্রে, জওয়ানদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা উচিত।”
বিজেপি সরকার আসতেই কী পরিবর্তন-
এ দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যেই ১১২৯ একর জমি, যা ২০১৪ সাল থেকে চাইছিলাম আমরা, সেই জমি শুভেন্দুজি দিয়েছেন বিএসএফ ও এসএসবি-র জন্য। ২৯ একর জমি বাকি ছিল। আজ প্রাতঃরাশে এসেছিলেন, ভাবলাম এই প্রসঙ্গ তুলি। উনি বসেই বললেন, ২৯ একরের টাকা পেলেই, পরেরদিন পারমিশন হয়ে যাবে। এতটাই তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছেন।”
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত সমীকরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, “এটা ভারতীয় জনতা পার্টির মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্য নয়। শুভেন্দুজি আমার বন্ধু, আমি বুঝি ওঁকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন, সমস্যা নিয়ে আমাদের মধ্যে কথা হয়েছে। উনি বোঝেন যে অনুপ্রবেশ না রুখলে, বাংলা বা দেশ সুরক্ষিত থাকতে পারবে না। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়া প্রয়োজন।”
রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকেও একহাত নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে হাত-পা জোড় করে বলা হয়েছে, উনি রাজি হননি। আমি একবার ওঁর অফিসেও পৌঁছে গিয়েছিলাম বলতে যে মমতাজি, এই জমি আপনি বিজেপিকে দিচ্ছেন না। দয়া করে জমি দিন। উনি হ্যাঁ বললেন, কিন্তু জমি দিলেন না। আজ এই মঞ্চ থেকে বাংলার মানুষকে অনেক ধন্যবাদ দিচ্ছি যে আপনারা রাষ্ট্রীয় সুরক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া একটা দলকে নির্বাচিত করেছেন।