তারেকের ভারত সফর নিয়ে তাড়াহুড়ো নয়, ‘আস্থা-বিশ্বাস থাকতে হবে’, দিল্লিকে শর্ত বাংলাদেশের
যদিও ঢাকা যে সে কথা মানতে চাইছে না, তা বৃহস্পতিবার হুমায়ুনের বক্তব্যে আরও স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। তারেকের উপদেষ্টা বলেন, ‘ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে কোনও অস্থিতিশীল তৎপরতা চালানো কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত কোনও ব্যক্তি, সন্ত্রাসী বা খুনিকে স্পেস দেওয়ার ঘটনা বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষকে গভীর ভাবে ক্ষুব্ধ করেছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক নিয়ম অনুযায়ী দিল্লি এটিকে কোনও ভাবেই যৌক্তিক প্রমাণ করতে পারে না। সেই সঙ্গে তা কোনও অবস্থাতেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অজুহাতে জাস্টিফাই করা যায় না।’
হুমায়ুনের সংযোজন, ‘বাংলাদেশে দেড় হাজারের বেশি মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পরে অপরাধী হিসেবে ভারতে পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নেওয়া, ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনাকে সেখানে রাজনৈতিক কিংবা মিডিয়াতে কথা বলার সুযোগ দেওয়া ভারতের গণতান্ত্রিক শিষ্টাচার পরিপন্থী।’