সফল বৈঠক, তবুও টোটো কেন আটক? মালবাজারে প্রশ্ন
এই সময়, মালবাজার: জাতীয় সড়কে টোটো চলাচল নিয়ে সমস্যা গভীর সময়, হচ্ছে মালবাজার শহরে। জাতীয় সড়কে ওঠার কারণে মঙ্গলবার মালবাজার থানার ট্র্যাফিক পুলিশ ১৪টি টোটোকে আটক করে থানায় ঢুকিয়েছে। শুক্রবার থেকে জাতীয় সড়কে উঠলেই পুলিশের পক্ষ থেকে টোটো আটক করার কাজ শুরু হয়। এরপর মালবাজার থানায় এবং পরবর্তীতে মালবাজারের মহকুমা শাসক উৎকর্ষ খান্ডালের সঙ্গে বৈঠক করেন টোটোচালকরা।
বৈঠকের পর চালক সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, থানা, হাসপাতাল, একাধিক সরকারি বিদ্যালয়, প্রধান ডাকঘর-সহ বহু ব্যাঙ্ক জাতীয় সড়কের উপর থাকায় যাত্রী নিয়ে জাতীয় সড়কে ওঠার ছাড়পত্র দিয়েছে প্রশাসন। তবে অহেতুক খালি টোটো নিয়ে জাতীয় সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা চলবে না বলেও জানিয়ে দেয় প্রশাসন।
আলোচনার মাত্র দু’-তিন দিনের মধ্যেই আবার কেন টোটো আটক করার কাজ শুরু হল, তা নিয়ে ভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে শহরে। পুলিশের তরফে এক আধিকারিক বলেন, ‘জাতীয় সড়কে যে সমস্ত খালি টোটো ঘুরছিল শুধুমাত্র সেগুলিকেই আটক করা হয়।
শহরের টোটো সংগঠন, ‘একতা টোটো ইউনিয়ন’-এর অন্যতম কর্তা পার্থ মিত্র বলেন, ‘জাতীয় সড়কে যাত্রী নামিয়ে খালি টোটোকে তো বেরিয়ে আসতে হবেই, সেটা নিয়ে ভুল বুঝলে হবে না।’ মালবাজারের মহকুমা শাসক উৎকর্ষ খন্ডাল মঙ্গলবার টোটো আটকের ঘটনায় কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে না চাইলেও এদিনই তাঁর কাছে জলপাইগুড়ি জেলার অতিরিক্ত জেলা শাসকের কাছ থেকে জাতীয় সড়কে টোটো চলা নিয়ে ফের নির্দেশিকা এসেছে বলে জানান।