এমসিবি থেকে অগ্নিকাণ্ড? বন্ধ ফায়ার এগজ়িট, তারাপীঠে মৃত ৯
বীরভূমের পুলিশ সুপার বিদিত রাজ ভুন্দেশ বলেন, ‘ভোর ৫টা নাগাদ থানায় ফোন আসে। আগুন লাগার খবর জানানো হয়। হোটেলে কাচের দরজা–জানলা বন্ধ ছিল বলে বাইরে থেকে ধোঁয়া টের পাওয়া যায়নি। খবর পেয়েই পুলিশ (তারাপীঠ ও রামপুরহাট থানার) ও দমকল ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। মই দিয়ে উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হয়। ২২ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। বাকি ১১ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর মধ্যে মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।’ এসপি জানান, হোটেলটির অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার কিছুক্ষণ পরে হোটেল মালিক কল্যাণ পালকে গ্রেপ্তার করা হয়। যাঁদের উদাসীনতায় এই ঘটনা ঘটেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে পুলিশ সুপার জানিয়েছেন। ওই হোটেলের ফায়ার লাইসেন্স ঠিকঠাক ছিল কি না, সব নিয়ম মানা হয়েছিল কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে সে সবও। দুর্গাপুর থেকে ফরেন্সিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে নমুনা সংগ্রহ করে।
দমকলকর্মীরা ঘণ্টা দুয়েকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাঁদের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। দমকলের ওসি নীলাদ্রি মজুমদার বল, ‘দোতলা পর্যন্ত আগুন ছড়িয়েছিল। কিন্তু তেতলা থেকে কোনও আগুন ছিল না। তবে প্রচুর ধোঁয়া ছিল। হোটেলে সিঁড়ির ল্যান্ডিংয়ে ও অন্য সব জায়গায় জানলা বন্ধ থাকায় ধোঁয়া বাইরে বেরোতে পারেনি।’