Congress Leader Murder: স্ত্রীর সঙ্গে জেলে বারবার কথা, কী নিয়ে আলোচনা কংগ্রেস নেতা খুনে অভিযুক্ত? | Congress leader accused of murder talks repeatedly with wife in jail, what is discussed?
নদিয়ায় কংগ্রেস নেতা খুনImage Credit: Tv9 Bangla
নদিয়া: নাকাশিপাড়ায় কংগ্রেস নেতা ও তাঁর ছেলেকে গুলি করে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসছে। তবে কি জেলেই তৈরি হয়েছিল খুনের ছক? সিসিটিভির ফুটেজ চাঞ্চল্যকর তথ্য তদন্তকারীদের হাতে।
পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত জুব্বার শেখের সঙ্গে জেলে একাধিকবার দেখা করেছিলেন তাঁর স্ত্রী ফাতেমা বিবি। তাঁদের শেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল গত ১৪ অগস্ট, যা খুনের ঠিক আগের দিন। আর পরদিনই ঘটে বাবা-ছেলের জোড়া খুন। সূত্রে জানা গিয়েছে, জুব্বারের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী মোট তিনবার দেখা করেছিলেন—৩০ জুন,৬ অগস্ট এবং ১৪ অগস্ট। শেষ সাক্ষাতের সময় তাঁদের মধ্যে কী কথা হয়েছিল,তা নিয়েই এখন তদন্তকারীদের নজর। প্রশ্ন উঠছে,ওই সাক্ষাতেই কি খুনের ঘটনা নিয়ে কোনও আলোচনা হয়েছিল?
যদিও, এখনও পর্যন্ত জেল থেকেই খুনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি। কংগ্রেস নেতৃত্বের অভিযোগ, জুব্বার জেল থেকেই স্ত্রীকে খুনের পরিকল্পনা বা প্রয়োজনীয় তথ্য জানিয়ে থাকতে পারেন। সেই অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
বর্তমানে জুব্বার শেখকে কৃষ্ণনগর সংশোধনাগারে পৃথক সেলে রাখা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তাঁর পরিবারের সদস্য এবং মামলায় যুক্ত অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ রয়েছে বলে সূত্রের দাবি।
অন্যদিকে, ফাতেমা বিবি হরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। জুব্বার শেখ ওই এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি বলেও জানা গিয়েছে। ফলে জোড়া খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক যোগের প্রশ্নও নতুন করে সামনে এসেছে।
তদন্তকারীদের নজরে এখন মূলত তিনটি বিষয়। ১৪ অগস্ট জেলে জুব্বার ও ফাতেমার মধ্যে কী কথা হয়েছিল,সেই সাক্ষাতের কোনও নথি বা তথ্য রয়েছে কি না এবং খুনের সঙ্গে ওই সাক্ষাতের আদৌ কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না।
জোড়া খুনের নেপথ্যে কারা? কীভাবে তৈরি হয়েছিল খুনের পরিকল্পনা? আর জেল থেকেই কি কোনও নির্দেশ গিয়েছিল? এই প্রশ্নগুলির উত্তরই এখন খুঁজছেন তদন্তকারীরা। শনিবার রাতে একটি চার চাকা গাড়ি করে ফিরছিলেন কংগ্রেস নেতা আনিসুর রহমান ও ছেলে আবু সুফিয়ান। অভিযোগ, সেই সময় নাকাশিপাড়া থানার নাগাদি রেলগেটের কাছে আক্রমণ করে দুষ্কৃতীরা। প্রথমে গুলি ছোড়ে তারা। তারপর মৃত্যু নিশ্চিত করে কোপানো হয়।