বন্দে মাতরমে সোনিয়ার অভব্য আচরণ! ক্ষমা চাইতে বললেন বঙ্কিমের বংশধর নৈহাটির বিজেপি বিধায়ক - 24 Ghanta Bangla News
Home

বন্দে মাতরমে সোনিয়ার অভব্য আচরণ! ক্ষমা চাইতে বললেন বঙ্কিমের বংশধর নৈহাটির বিজেপি বিধায়ক

Spread the love

কলকাতা: স্বাধীনতা দিবসে বন্দে মাতরমের অবমাননা করেছেন সোনিয়া গান্ধী। (Sonia Gandhi)এই আবহেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রত্যক্ষ বংশধর এবং নৈহাটির বিজেপি বিধায়ক সুমিত্র চ্যাটার্জি সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি…

কলকাতা: স্বাধীনতা দিবসে বন্দে মাতরমের অবমাননা করেছেন সোনিয়া গান্ধী। (Sonia Gandhi)এই আবহেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রত্যক্ষ বংশধর এবং নৈহাটির বিজেপি বিধায়ক সুমিত্র চ্যাটার্জি সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখেছেন। কংগ্রেস সদর দফতরে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ গান নিয়ে যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে গভীর ক্ষোভ ও বেদনা প্রকাশ করেছেন তিনি।

পূর্ণাঙ্গ ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার সময় অস্বস্তি ও বারবার থামানোর চেষ্টার অভিযোগ তুলে তিনি ভারতের নাগরিকদের কাছে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।(Sonia Gandhi)১৫ আগস্ট ২০২৬, দেশের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে অখিল ভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সদর দফতরে যে ঘটনা ঘটেছে, তা শুধু দুর্ভাগ্যজনক নয়, ঐতিহাসিক ভুলের লজ্জাজনক পুনরাবৃত্তি বলেই চিঠিতে উল্লেখ করেছেন সুমিত্র চ্যাটার্জি।

আরও দেখুনঃ হেলিকপ্টার ‘প্রচন্ড’ তৈরিতে আদানি ডিফেন্স-BEML র সঙ্গে হাত মেলাল HAL

তিনি লিখেছেন, দেশমাতা মাতৃবন্দনায় সমর্পিত সেই মুহূর্তে কংগ্রেস নেতৃত্বের আচরণ দেখে তিনি ব্যথিত। সাধারণ ভারতীয় নাগরিক, একজন দেশভক্ত এবং ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্য হিসেবে এই চিঠি লিখছেন তিনি। গভীর বেদনা, শূন্যতা ও ক্ষোভ নিয়েই এই পত্র।চিঠিতে তিনি শ্রীঅরবিন্দের উদ্ধৃতি দিয়েছেন। অরবিন্দ বলেছিলেন, এই মন্ত্র দেশকে দেশভক্তির ধর্মে দীক্ষিত করেছে। শুধু মন্ত্র নয়, দেশভক্তির ধর্ম।

ক্ষুদিরাম বসুর মতো অসংখ্য বিপ্লবী এই মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে ফাঁসির মঞ্চে (Sonia Gandhi)হাসতে হাসতে প্রাণ দিয়েছিলেন। স্বাধীন ভারতের মাটিতে সেই মন্ত্রের পূর্ণ উচ্চারণের প্রতি অসহিষ্ণুতা লক্ষ্য শহীদদের বলিদানের প্রতি অপমান বলেই মনে হচ্ছে তাঁর।সুমিত্র চ্যাটার্জি ইতিহাসের পাতা উল্টে দেখিয়েছেন কীভাবে ‘বন্দে মাতরম’ স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। ১৮৯৬ সালে কলকাতা অধিবেশনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজে এই গান গেয়েছিলেন।

আরও দেখুনঃ গুটখার বিজ্ঞাপন করে বিপদে শাহরুখ-অজয়, টাইগার! নোটিস দিল FDA

১৯০৫ সালের বেনারস কংগ্রেসে সরলা দেবী চৌধুরানী পূর্ণ গান পরিবেশন করেছিলেন। (Sonia Gandhi )বিপ্লবীরা এই গানকেই জীবনের সঙ্গী করেছিলেন। লোকমান্য তিলক থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সবাই এই মন্ত্রকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। কংগ্রেসের নিজস্ব ছাত্র সংগঠন পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র পরিষদের স্লোগানই ‘মন্ত্র মোদের সঞ্জীবন বন্দে মাতরম’। তাহলে শীর্ষ নেতৃত্বের এই অস্বস্তি কেন?

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *