হাসিনাকে না ফেরালে ভারত সফর নয়! স্পষ্ট করলেন তারেক রহমান - 24 Ghanta Bangla News
Home

হাসিনাকে না ফেরালে ভারত সফর নয়! স্পষ্ট করলেন তারেক রহমান

Spread the love

নয়াদিল্লি, ১৫ আগস্ট: ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন চাপ। (Tarique Rahman)বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়েছেন শেখ হাসিনাকে না ফেরালে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত হবে না। এমনকি…

নয়াদিল্লি, ১৫ আগস্ট: ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন চাপ। (Tarique Rahman)বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়েছেন শেখ হাসিনাকে না ফেরালে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত হবে না। এমনকি ভারত সফর ও নয়। ট্রিবিউন পত্রিকার প্রতিবেদন অনুসারে, তিনি ভারত সফর এড়িয়ে চলবেন যতক্ষণ না দিল্লি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঢাকায় ফেরত পাঠায়।

একই সঙ্গে তিনি সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনেও যোগ দেবেন না বলেই জানা গিয়েছে।শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। ঢাকা বারবার ভারতের কাছে তাঁর প্রত্যর্পণ চেয়েছে।

আরও দেখুনঃ

সম্প্রতি ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রহমান (Tarique Rahman)এই দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, হাসিনার প্রত্যর্পণ ছাড়া দ্বিপাক্ষিক সফরও অনিশ্চিত।অন্যদিকে ভারতের বিদেশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ অনুরোধ পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও জানানো হয়নি। একই সঙ্গে তারেক রহমানকে দুটি আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে একটি দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য এবং অন্যটি ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দিতে।

তিনি বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে আমন্ত্রিত। ভারতীয় পক্ষ বলেছে, আমন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে এখনও কোনো আপডেট নেই।শেখ হাসিনা সম্প্রতি বলেছেন, তিনি ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন। যদিও তিনি স্বীকার করেছেন, “তারা আমাকে হত্যাও করতে পারে।” এই মন্তব্য ঢাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ সরকার মনে করে, ভারতে থেকে হাসিনা রাজনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছেন, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলছে।

আরও দেখুনঃ

দুই দেশের সম্পর্ক ২০২৪ সালের পরিবর্তনের পর চাপের মুখে পড়েছিল। (Tarique Rahman)অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং পরে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছিল। কিন্তু হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ সরকার মনে করে, এই বিষয়টি সমাধান না হলে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে না। দিল্লি অবশ্য আইনি ও মানবিক দিক বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছে।

ব্রিকস সম্মেলন সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি ও নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতি হলে তা আঞ্চলিক সহযোগিতায় প্রভাব ফেলতে পারে। বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে তাঁর উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছিল।কূটনৈতিক মহল বলছে, এই পরিস্থিতি দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কে নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *