‘প্রোটোকল’ বিতর্কে লালকেল্লা বয়কট! স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে গরহাজির রাহুল-খাড়গে
নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে শনিবার লালকেল্লায় পালিত হলো ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস। কিন্তু টানা দ্বিতীয় বছরের জন্য লালকেল্লার এই সরকারি অনুষ্ঠান এড়িয়ে গেলেন কংগ্রেস…
নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে শনিবার লালকেল্লায় পালিত হলো ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস। কিন্তু টানা দ্বিতীয় বছরের জন্য লালকেল্লার এই সরকারি অনুষ্ঠান এড়িয়ে গেলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ‘প্রোটোকল’ বা বসার জায়গা নিয়ে অসন্তোষের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব।
চলতি বছরের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, সরকারি ‘টেবিল অফ প্রিসিডেন্স’ (Table of Precedence) অনুযায়ী তাঁর বসার জায়গা নির্ধারিত হবে। রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, লোকসভার বিরোধী দলনেতার পদটি কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমতুল্য। কিন্তু কংগ্রেস সূত্রের দাবি, পদমর্যাদা অনুযায়ী তাঁদের বসার জায়গা এবং অন্যান্য প্রোটোকল মানা হয়নি, আর সেই কারণেই লালকেল্লায় উপস্থিত হননি খাড়্গে ও রাহুল।
কোথা থেকে শুরু এই বিতর্ক?
এই আসন বিতর্কের সূত্রপাত হয় ২০২৪ সালের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে। সেবার সদ্য বিরোধী দলনেতা হওয়া রাহুল গান্ধীকে লালকেল্লায় পঞ্চম সারিতে বসানো হয়েছিল। কংগ্রেস সেই সময় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেছিল, সরকার বিরোধী দলনেতার পদকে অপমান করেছে এবং ‘ক্ষুদ্র মানসিকতা’র পরিচয় দিয়েছে।
যদিও সরকারের তরফে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক যুক্তি দিয়েছিল, প্যারিস অলিম্পিক ফেরত ক্রীড়াবিদদের সামনের সারিতে জায়গা দিতেই আসন বিন্যাসে ওই পরিবর্তন করা হয়েছিল। এরপর ২০২৫ সালেও লালকেল্লার অনুষ্ঠান এড়িয়ে গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী এবং মল্লিকার্জুন খাড়্গে।
প্রজাতন্ত্র দিবসেও একই অভিযোগ
শুধু স্বাধীনতা দিবস নয়, জাতীয় স্তরের অন্যান্য সরকারি অনুষ্ঠানে কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে কেমন আচরণ করা হয়, তা নিয়ে বারবার সরব হয়েছে হাত শিবির। কংগ্রেসের অভিযোগ, ২০২৫ এবং ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানেও রাহুল এবং খাড়্গেকে তৃতীয় সারিতে বসানো হয়েছিল।
যদিও প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বরাবরই দাবি করে আসছে যে, প্রজাতন্ত্র দিবস হোক বা স্বাধীনতা দিবস, আসন বিন্যাস করা হয় সম্পূর্ণভাবে ‘টেবিল অফ প্রিসিডেন্স’ মেনে। রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে সাংবিধানিক পদমর্যাদাই এই প্রোটোকলের মূল ভিত্তি।
রাঁচিতে ছাত্র আন্দোলনের নেতা দেবেন্দ্রকে তিরঙ্গা যাত্রায় অংশগ্রহণ করতে বাধা পুলিশের
সশস্ত্র নকশাল শেষ, বড় বিপদ ‘দিমাগি নকশালবাদ’! সতর্কবার্তা মোদীর