পাঁচ বছরে আর কোনও কাঠের সেতু থাকবে না, জানালেন সেচমন্ত্রী
এই সময়, খড়্গপুর: আগামী পাঁচ বছরে আর কোনও নদীতেই কাঠের সেতু থাকবে না। সমস্ত সেতু পাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেচ দপ্তর। বৃহস্পতিবার সবং এবং নারায়ণগড়ের জলমগ্ন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এ কথা জানান সেচমন্ত্রী অরূপকুমার দাস। তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবারই আমরা এই বিষয়ে একটি বৈঠক করেছি। যেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আর কোথাও কোনও কাঠের সেতু থাকবে না। সমস্ত জায়গায় পাকা সেতু নির্মাণ করা হবে।’
টানা বৃষ্টিতে জল বাড়তে শুরু করেছে কেলেঘাই ও কপালেশ্বরী নদীতে। একাধিক জায়গায় নদী বাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। ফলে সারতা, সবং ও বিষ্ণুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একাধিক নিচু এলাকার মানুষ কার্যত জলবন্দি হয়ে পড়েছেন। কোথাও বাড়ির দোরগোড়ায় জল, আবার কোথাও রাস্তায় উপর জল। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষ। তা জানার পরেই রাজ্যের সেচমন্ত্রী অরূপকুমার দাস সবং পরিদর্শনে আসেন। প্রথমেই বাড়জীবন এলাকা সংলগ্ন কপালেশ্বরী নদীর বাঁধের ধস প্রবণ স্থানগুলি ঘুরে দেখেন। জলমগ্ন এলাকাও পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময়ে সঙ্গে ছিলেন ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি অমূল্য মাইতি, সবংয়ের বিধায়ক অমল পন্ডা, বিডিও রোমান মণ্ডল-সহ সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা। মন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে নদীগুলির সংস্কার না হওয়ায় জল সমস্যা তৈরি হচ্ছে। প্রবল বৃষ্টির জেরে নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি বাঁধের মাটি নরম হওয়ার কারণে হয়ে ধস নামছে। যাতে বাঁধ ভেঙে সমস্যা তৈরি না হয়, সে জন্য সব ধরণের পদক্ষেপ করা হচ্ছে।’ অন্যদিকে নারায়ণগড় ব্লকের কাঠালিয়া, গোপীনাথপুর এলাকাতেও বহু মানুষ জলবন্দি। শুক্রবার নারায়ণগনের বিধায়ক রমাপ্রসাদ গিরি, খড়্গপুরের মহকুমাশাসক জ্যোতি ঘোষ। গোপীনাথপুর হাইস্কুলের ত্রাণ শিবিরে ত্রিপল এবং কম্বল বিলি করেন।