বেলুচিস্তানের কেচ জেলায় দিনেদুপুরে পাক সেনার কনভয় ওড়াল বেলুচ বাহিনী
ইসলামাবাদ: পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের কেচ জেলার তুরবত শহরে একটি শক্তিশালী (convoy blast)বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শহীদ ফিদা চক সংলগ্ন এলাকায় পাকিস্তানি সামরিক…
ইসলামাবাদ: পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের কেচ জেলার তুরবত শহরে একটি শক্তিশালী (convoy blast)বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শহীদ ফিদা চক সংলগ্ন এলাকায় পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর কনভয়ের ওপর আইইডি বা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। বেলুচ প্রতিরোধ বাহিনীর পক্ষ থেকে এই হামলার দাবি করা হয়েছে।
প্রাথমিক তথ্যে হতাহতের সম্ভাবনার কথা বলা হলেও বিস্তারিত এখনো নিশ্চিত হয়নি।তুরবতের ব্যস্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে। সামরিক যানবাহন সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের শব্দ আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। অনেকে দ্রুত ঘটনাস্থল ছেড়ে সরে যান।
আরও দেখুনঃ সন্দীপ-নির্মল গ্রেফতারিতে নো অবজেকশন আটকে রেখেছিল মমতা! বিস্ফোরক শুভেন্দু
নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা (convoy blast)ঘিরে ফেলেছে এবং তল্লাশি শুরু করেছে।বেলুচিস্তানে এমন হামলার ঘটনা সময়ে সময়ে ঘটে থাকে। বেলুচ জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীগুলো দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানি সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে সশস্ত্র কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তারা নিজেদের প্রতিরোধ বাহিনী হিসেবে পরিচয় দেয় এবং সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করে। অন্যদিকে পাকিস্তান সরকার এসব সংগঠনকে জঙ্গি গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করে এবং নিয়মিত নিরাপত্তা অভিযান চালায়।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণে সামরিক যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (convoy blast)। হতাহতের আশঙ্কা থাকলেও সঠিক সংখ্যা এখনো জানা যায়নি। স্থানীয় হাসপাতালে কেউ আহত অবস্থায় নেওয়া হয়েছে কিনা বা কোনো প্রাণহানি ঘটেছে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তদন্ত শুরু করেছে এবং ঘটনার পেছনের দায়িত্ব নির্ধারণের চেষ্টা করছে।তুরবত কেচ জেলার গুরুত্বপূর্ণ শহর।
আরও দেখুনঃ স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দিল্লিতে বোমাতঙ্ক! নিশানায় লালকেল্লা-বিমানবন্দর
এ অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে সংবেদনশীল। (convoy blast)সামরিক চেকপোস্ট ও যানবাহন চলাচলের পথে এ ধরনের ঘটনা স্থানীয় জনজীবনে প্রভাব ফেলে। বিস্ফোরণের পর এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে এবং যান চলাচল সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে।বেলুচ গোষ্ঠীগুলো প্রায়ই এ ধরনের হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি প্রকাশ করে।
তারা দাবি করে, এসব পদক্ষেপ তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের অংশ। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ অবশ্য এটিকে জঙ্গি হামলা বলে উল্লেখ করে এবং কঠোর জবাব দেওয়ার কথা বলে। ঘটনার পর সাধারণত তল্লাশি ও অভিযান জোরদার করা হয়।এই ঘটনায় সাধারণ মানুষের উদ্বেগ বাড়ে। বেলুচিস্তানের চলতি উত্তেজনায় সাধারণ বাসিন্দারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। স্থানীয়রা শান্তি ও স্থিতিশীলতা চান।