রাজ্যের কাছে জবাব তলব হাইকোর্টের
এর প্রেক্ষিতে এজি বিচারপতিদের উদ্দেশে জানান, আদালত যদি অন্তর্বতী নির্দেশ না দেয়, তা হলে রাজ্যের বক্তব্য জানানো হবে। আর যদি আদালত অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়, তা হলে তিনি রাজ্যের বক্তব্য জানাবেন আদালতকে। এজি বলেন, ‘এই মামলা এখনই জরিমানা করে খারিজ করা উচিত। মামলাকারীর কোনও এক্তিয়ার নেই এই মামলা করার। একজন আইনজীবী মামলা করলেন। কোনও নির্দিষ্ট নথি নেই। কেউ বলল, মাইক খুলে নিতে পুলিশ নির্দেশ দিয়েছে। তাতেই হয়ে গেল? পুলিশ কিছুই করেনি। অভিযোগ করা হয়েছে, অথচ কোন থানার পুলিশ, কোন মসজিদ, তার কোনও ব্যাখ্যা নেই। চার হাজার মসজিদের কথা বলা হয়েছে, অথচ একটাও নির্দিষ্ট তথ্য নেই!’
এজির সওয়ালের পরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘তা হলে পুলিশ কিছু করেনি, এটাই আপনার বক্তব্য। মাইক ব্যবহার নিয়ে রাজ্যের কোনও নির্দেশ নেই, এটাই বলছেন।’ এর পরেই এজি জানতে চান, ‘পুলিশ মিটিং ডেকেছে বলা হচ্ছে। সেটা কোথায় ও কবে?’ জবাবে কল্যাণ বলেন, ‘চাঁপদানি, তেলেনিপাড়ায় পুলিশ মিটিং ডেকেছে। লেখা আছে। পুলিশ মসজিদে গিয়েছে। সেটাও লেখা আছে। লাগাতার পুলিশ চাপ দিয়েছে মাইক খুলে ফেলার জন্য। আর কী লিখব?’
দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে পরবর্তী শুনানির দিনক্ষণ স্থির করার সময়েও তুমুল বচসায় জড়ান এজি এবং কল্যাণ। কল্যাণকে ‘চটিচাটা’ বলে আক্রমণ করে এজি। পাল্টা কল্যাণের তোপ, ‘তুমি তো বুট চাটা!’ শেষমেশ দু’পক্ষকে সতর্ক করে বচসা থামায় আদালত।