LPG e-KYC: গ্যাসের KYC-র নামে হচ্ছেটা কী? গ্যাস অফিস সামনে এল ভয়ঙ্কর অভিযোগ | Lpg e kyc mandatory deadline subsidy rules and what consumers need to know - 24 Ghanta Bangla News
Home

LPG e-KYC: গ্যাসের KYC-র নামে হচ্ছেটা কী? গ্যাস অফিস সামনে এল ভয়ঙ্কর অভিযোগ | Lpg e kyc mandatory deadline subsidy rules and what consumers need to know

Spread the love

মেদিনীপুর: গ্যাসের ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা বাধ্যতামূলক বলে জানিয়ে দিয়েছে সরকার। এলপিজি গ্রাহকদের গ্যাসের সংযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে ই-কেওয়াইসি করাতেই হবে। নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে নথি জমা না দিলে গ্যাসে ভর্তুকি পেতে সমস্যা হতে পারে। ই-কেওয়াইসি জমা না দিলে রান্নার গ্যাসের জন্য বাড়তি টাকা দিতে হবে গ্রাহকদের। এই নিয়ে গ্রাহকদের মনে উৎকন্ঠা। তাই এখন জমছে kYC করানোর ভিড়।

রান্নার গ্যাসের ই-কেওয়াইসি (e-KYC) করানোর অজুহাতে জোর করে পাইপ, রেগুলেটর সহ একাধিক সরঞ্জাম বিক্রির গুরুতর অভিযোগ উঠল গ্যাস এজেন্সির বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়াল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনার ইন্ডিয়ান গ্যাসের দুটি শাখায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে হয়রানির শিকার হওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত টাকা আদায়ের প্রতিবাদে এজেন্সির সামনে বিক্ষোভ দেখান ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা।

উপভোক্তাদের অভিযোগ, কেওয়াইসি করাতে এলেই বাধ্যতামূলকভাবে নতুন পাইপ ও অন্যান্য সরঞ্জাম কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে। ‘উজ্জ্বলা’ যোজনার গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে ১,২০০ টাকা এবং সাধারণ গ্রাহকদের ক্ষেত্রে চাওয়া হচ্ছে ৮০০ টাকা। অভিযোগ, টাকা না দিলে বা এই সরঞ্জামগুলি না কিনলে কেওয়াইসি-র কাজ করা হচ্ছে না এবং গ্রাহকদের ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে গ্যাস অফিসের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পাইপ বা সরঞ্জাম কেনা কোনওভাবেই বাধ্যতামূলক নয়। তবে কর্তাদের এই দাবির সাথে বাস্তব পরিস্থিতির মিল পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। তাঁদের সাফ বক্তব্য, মুখে না বললেও বাস্তবে জিনিস না কিনলে কাজই করা হচ্ছে না। কেওয়াইসি-র নামে এই ধরনের অর্থ আদায় ও অহেতুক হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *