আম্বালায় শিখ বিক্ষোভে টিয়ার গ্যাস! উত্তপ্ত পরিস্থিতি - 24 Ghanta Bangla News
Home

আম্বালায় শিখ বিক্ষোভে টিয়ার গ্যাস! উত্তপ্ত পরিস্থিতি

Spread the love

আম্বালা: গুরুদ্বারা পঞ্জোখরা সাহিবের কাছে শিখ সম্প্রদায়ের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে (Sikh protest)বৃহস্পতিবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল হরিয়ানার আম্বালা। গুরসিমরন সিং মান্ডের গ্রেফতারির দাবিতে রাস্তায় নামা বিক্ষোভকারীদের…

আম্বালা: গুরুদ্বারা পঞ্জোখরা সাহিবের কাছে শিখ সম্প্রদায়ের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে (Sikh protest)বৃহস্পতিবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল হরিয়ানার আম্বালা। গুরসিমরন সিং মান্ডের গ্রেফতারির দাবিতে রাস্তায় নামা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাসের শেল ব্যবহার করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় হরিয়ানা শিখ গুরুদ্বারা ম্যানেজমেন্ট কমিটির (HSGMC) প্রধান জাথেদার জগদীশ সিং ঝিন্ডাসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

এই বিক্ষোভের সূত্রপাত কয়েক দিন আগের একটি ঘটনাকে ঘিরে। (Sikh protest)গত ৭ আগস্ট গুরুদ্বারা পঞ্জোখরা সাহিবের বাইরে গুরসিমরন সিং মান্ডের গাড়ি শিখ পুণ্যার্থীদের ভিড়ের মধ্যে ঢুকে পড়ে বলে অভিযোগ। সেই ঘটনায় এক শিখ যুবক আহত হন বলে দাবি বিক্ষোভকারীদের। পাশাপাশি গুরুদ্বারের নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগও ওঠে মান্ডের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরে মান্ডের গাড়ি ভাঙচুর ও তাঁকে মারধরের অভিযোগ সামনে আসে।

আরও দেখুনঃ জম্মুতে বাড়ছে রোহিঙ্গা! পুশব্যাকের দাবি উদ্বিগ্ন স্থানীয়দের

এরপর পুলিশ মান্ডের অভিযোগের ভিত্তিতে দুজন শিখ যুবককে গ্রেফতার করে বলে জানা যায়। কিন্তু মান্ডের বিরুদ্ধে শিখ সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে পাল্টা অভিযোগ করা হলেও তা নিয়ে পুলিশ যথাযথ পদক্ষেপ করেনি এমন অভিযোগ তুলে সরব হন শিখ নেতারা। তাঁদের দাবি, তদন্তে উভয় পক্ষের অভিযোগ সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। এই বিষয়টিই ধীরে ধীরে বৃহত্তর বিক্ষোভের রূপ নেয়।

বৃহস্পতিবার HSGMC প্রধান জগদীশ সিং ঝিন্ডা-সহ শিখ নেতাদের নেতৃত্বে বহু মানুষ পঞ্জোখরা সাহিবের কাছে জড়ো হন। তাঁদের মূল দাবি ছিল, ৭ আগস্টের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে এবং গুরসিমরন সিং মান্ডের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। বিক্ষোভকারীরা আম্বালা-দিল্লি এবং আম্বালা-দেরাদুন জাতীয় সড়কের একটি অংশ অবরোধ করেন। ফলে ওই এলাকায় যান চলাচলেও প্রভাব পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়(Sikh protest)। প্রশাসনের তরফে রাস্তা খালি করার চেষ্টা হলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের উত্তেজনা তৈরি হয়। এক পর্যায়ে ব্যারিকেড সরিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীদের একাংশ। তখনই পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল ছোড়ে বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধস্তাধস্তির মধ্যে কয়েকজন আহত হন।

আরও দেখুনঃ তামিলনাড়ু বিধানসভায় ডিলিমিটেশনের বিরুদ্ধে ৫৪৩ আসন স্থির রাখার বিল পাস বিজয়ের

এই ঘটনার পর শিখ সংগঠনগুলির মধ্যে ক্ষোভ আরও বাড়ে। তাঁদের বক্তব্য, শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের দাবি জানাতে আসা মানুষের সঙ্গে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীলভাবে আচরণ করা উচিত ছিল। অন্যদিকে, জাতীয় সড়ক অবরোধ এবং ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টার ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের হস্তক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছিল বলে প্রশাসনের অবস্থান।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *