ফুকেট-দিল্লি প্লেন: ডোপ টেস্টে ফের পজ়িটিভ
এই সময়: দ্বিতীয় ডোপ টেস্টেও পজ়িটিভ! এয়ার ইন্ডিয়ার যে ফ্লাইটটি গত ৪ অগস্ট থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে দিল্লি আসার পথে মাঝ আকাশে আচমকা ৩০০ ফুট নীচে নেমে আসে, তার প্রধান পাইলট দ্বিতীয় ডোপ টেস্টেও ব্যর্থ হয়েছেন বলে খবর। সে দিন ১৩৭ জন যাত্রী এবং আটজন ক্রু মেম্বারকে নিয়ে আসছিল ফ্লাইটটি।
আচমকা ওই অঘটনে বিমান বেশ কয়েক বার ডিগবাজি খাওয়ায় ক্রু ও যাত্রী মিলিয়ে ১৭ জন আহত হয়েছিলেন। অনেকেরই মেরুদণ্ড, ঘাড় বা টেলবোনে চোট লাগে। ওই ঘটনার সরকারি রিপোর্টে কোথাও ‘টার্বুল্যান্স’ শব্দটি না-থাকলেও, প্রাথমিক ভাবে খারাপ আবহাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। সোমবার পাইলটের প্রাথমিক ডোপ টেস্টের সঙ্গে বিমানের হাইড্রোলিক ফেলিওর–এর তত্ত্বও ওঠে।
এ দিন যদিও চর্চার কেন্দ্রে মারিজুয়ানা! সূত্রের খবর, দ্বিতীয় ডোপ টেস্টেও পাইলটের শরীরে যে সাইকোঅ্যাক্টিভ পদার্থ মিলেছে, তা আদত গাঁজা। যার পরেই প্রশ্ন উঠেছে— তা হলে কি যাত্রীদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলছে? গাঁজা খেয়ে বিমান চালাচ্ছিলেন এয়ার ইন্ডিয়ার ওই পাইলট!
তার চেয়েও বড় প্রশ্ন এর শাস্তি কী? নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক ফ্লাইট সংস্থার এক কর্তার দাবি, ‘২০২১ থেকে এই সংক্রান্ত আইন জারি হলেও এমন ঘটনা বিরলই। নিয়ম অনুযায়ী, মাদক-যোগ প্রমাণিত হলে পাইলটকে রিহ্যাবে পাঠানোর কথা।’ যদিও ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এ সব ক্ষেত্রে পাইলটের চাকরিও যেতে পারে। এই ঘটনায় কী হয় এবং সে দিনের ওই ঝাঁকুনির আসল রহস্য কী, সে দিকেই নজর সবার।