‘মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব শিখিয়ে গেলাম’, ২ পুলিশ সাসপেন্ড, মৃতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ শুভেন্দুর
হেফাজতে মৃত্যুর বিষয়টি মেনে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, ‘পুলিশের হেফাজতে মারা গিয়েছেন (বিরজু), এটা দিনের আলোর মতো সত্যি। তবে কতটা শারীরিক অত্যাচারে মারা গিয়েছেন, সেটা আমরা বলতে পারব না। তিন জন ডাক্তারের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে সেটা জানা যাবে।’ এরপরে একটি কাগজ দেখিয়ে তিনি জানান, মৃতের পরিবার দুটো জিনিস চেয়েছে। জেনিদের অভিযোগ, পুলিশ হেফাজতে অত্যাচারের ফলেই মৃত্যু হয়েছে বিরজুর। তাই দোষী পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি তাঁদের দুই সন্তানের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে সরকার যাতে কোনও ব্যবস্থা নেয়, তারও আর্জি মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন জেনি। এর প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়েই হালিশহর থানার আইসি তমাল দত্তকে ক্লোজ় এবং যে মামলায় বিরজুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তার তদন্তকারী অফিসার ফিরোজ মল্লিককে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করেন। নিয়ম মেনে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শিল্পা গৌরীসারিয়া ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত করবেন বলেও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি এও জানান, এই তদন্তে যদি কোনও পুলিশকর্মী দোষী প্রমাণিত হন, তা হলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।