SIR ট্রাইব্যুনালের কাজ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বড়সড় প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশন | SIR Case: Supreme Court Questions Election Commission Over Pending Appeals, Seeks Tribunal Performance Report
নয়াদিল্লি: অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর কেটে গিয়েছে কয়েকমাস। কিন্তু, এখনও লক্ষ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়নি। এই নিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে পড়ল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই মুহূর্তে কত ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে? কত ঘণ্টা তারা কাজ করছে? তারা কত মামলার সমাধান করেছে? নির্বাচন কমিশনের কাছে এইসব প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইল শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।
মুর্শিদাবাদ ও মালদহ জেলায় বিপুল সংখ্যক মানুষের নাম SIR-এ বাদ পড়েছে। তারপর দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের আবেদন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন পড়ে থাকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন প্রাক্তন সাংসদ তথা কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে কমিশনের তরফে জানানো হয়, আজ (মঙ্গলবার) ট্রাইব্যুনালের কাজকর্ম নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কমিশনের বৈঠক রয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের পরিকাঠামো পর্যাপ্ত নয় বলে প্রশ্ন তোলেন আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। অধীর চৌধুরীর তরফে আইনজীবী রউফ রহিম বলেন, যে সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে তা শতাংশের বিচারে নগণ্য। অধীর চৌধুরীর দায়ের করা মামলায় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের পর্যবেক্ষণ, যেভাবে আবেদনের নিষ্পত্তি হচ্ছে, তাতে তাতে সব আবেদনের নিষ্পত্তি হতে আগামী নির্বাচন হয়ে যাবে। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর পর্যবেক্ষণ, আমাদের নির্দেশে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিল। তাই তাদের পারফরম্যান্স আমাদের দেখার প্রয়োজন। যদি দেখা যায় আবেদনের নিষ্পত্তির সংখ্যার নিরিখে তাদের পারফরম্যান্স যথেষ্ট নয়, তাহলে আবেদনের নিষ্পত্তির পরিকাঠামোর পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে। অনলাইন শুনানি করা যায় কি না দেখা হবে। এই মুহূর্তে কত ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে? তারা কত ঘণ্টা কাজ করছে? কত মামলা নিষ্পত্তি এখনও পর্যন্ত হয়েছে? কমিশনকে জানাতে হবে।
কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডু বলেন, “যদি পরিকাঠামোগত সমস্যার কারণে নিষ্পত্তি হতে দেরি হয় তাহলে আমরা বিষয়টা দেখব।” আগামী ২৫ অগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। প্রসঙ্গত, এসআইআর প্রক্রিয়ার পর যাঁরা বিবেচনাধীন তালিকায় ছিলেন, তাঁদের নামগুলির নিষ্পত্তি জন্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠন করা হয়েছে অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল।