মোদীর কূটনৈতিক চালে ভারতের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে একান্ত বৈঠক বেসুরো বালেনের
কাঠমান্ডু: কাঠমান্ডুতে সোমবার এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। (Balen Shah) নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন কাঠমান্ডুতে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত নবীন শ্রীবাস্তব। প্রধানমন্ত্রীর…
কাঠমান্ডু: কাঠমান্ডুতে সোমবার এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। (Balen Shah) নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন কাঠমান্ডুতে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত নবীন শ্রীবাস্তব। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক দুই দেশের সম্পর্কে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে বলে মনে করছেন কূটনীতিক মহল।বালেন শাহ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটিই কোনো বিদেশি কূটনীতিকের সঙ্গে তাঁর প্রথম একান্ত সাক্ষাৎ। এর আগে তিনি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে দলগত বৈঠকই করতেন।
এই পরিবর্তনকে নেপাল-ভারত সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। (Balen Shah)বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, পারস্পরিক স্বার্থ, উন্নয়ন অংশীদারিত্ব এবং সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে।ভারতের রাষ্ট্রদূত নবীন শ্রীবাস্তব প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহকে অভিনন্দন জানিয়ে ভারতের পক্ষ থেকে সম্পর্ক আরও মজবুত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
আরও দেখুনঃ ডবল ইঞ্জিন রাজ্যে স্বস্তি প্রমীলাদের! রাখি পূর্ণিমার আগেই ঢুকবে ‘লাডলি বেহনার’ কিস্তি
তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছাও পৌঁছে দিয়েছেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী (Balen Shah)বালেন শাহ বলেছেন, নেপাল ও ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে হবে এবং যৌথ স্বার্থের ক্ষেত্রগুলোতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।এই বৈঠকটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে কারণ এর কয়েক সপ্তাহ আগে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির (আরএসপি) প্রধান রবি লামিছানে নয়াদিল্লিতে অসাধারণ স্বাগত জানিয়ে অভ্যর্থনা পেয়েছিলেন।
সেই সফরের পর এই সাক্ষাৎ দুই দেশের সম্পর্কে নতুন গতি সঞ্চারের ইঙ্গিত দিচ্ছে। নেপাল ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য, বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, সংযোগ ও উন্নয়ন সহযোগিতার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এই বৈঠক সেই সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার পথ খুলে দিতে পারে।বালেন শাহ (Balen Shah)এর আগে কূটনৈতিক প্রোটোকল নিয়ে নিজস্ব নীতি অনুসরণ করতেন। তিনি এককভাবে রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে না মিলে দলগত বৈঠকই করতেন।
আরও দেখুনঃ আয়ুষ্মানে বিপুল দুর্নীতি! দেশজুড়ে বাতিল সাড়ে ৩ হাজার হাসপাতাল
এবার সেই নীতি থেকে সরে এসে ভারতের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎ করা তাঁর কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিপক্কতার পরিচয় দিচ্ছে। একই দিনে তিনি চিনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে, যা নেপালের ভারসাম্যপূর্ণ বিদেশনীতির ইঙ্গিত বহন করে।
ই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক সবসময় গুরুত্বপূর্ণ। ভারত নেপালের অন্যতম বড় উন্নয়ন অংশীদার। সড়ক, রেল, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য অবকাঠামো প্রকল্পে ভারতের সহায়তা রয়েছে। এই বৈঠকের মাধ্যমে সেই সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও বিস্তৃত হতে পারে। কূটনৈতিক মহল মনে করছে, এই সাক্ষাৎ দুই দেশের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি ও নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।