ই-ভিসাধারী বিদেশি পর্যটকদের প্রবেশ সহজ করতে নতুন ১১ টি বন্দরকে অনুমোদন দিল মোদী সরকার - 24 Ghanta Bangla News
Home

ই-ভিসাধারী বিদেশি পর্যটকদের প্রবেশ সহজ করতে নতুন ১১ টি বন্দরকে অনুমোদন দিল মোদী সরকার

Spread the love

নয়াদিল্লি: ভারত সরকার ই-ভিসাধারী বিদেশি পর্যটকদের প্রবেশ আরও সহজ করেছে। (e-Visa)এই বিষয়ে নতুন ১১টি আন্তর্জাতিক বন্দরকে অনুমোদন দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার এই ঘোষণা করেছে। এতে…

নয়াদিল্লি: ভারত সরকার ই-ভিসাধারী বিদেশি পর্যটকদের প্রবেশ আরও সহজ করেছে। (e-Visa)এই বিষয়ে নতুন ১১টি আন্তর্জাতিক বন্দরকে অনুমোদন দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার এই ঘোষণা করেছে। এতে ই-ভিসাধারীরা এখন এই নতুন পোর্টগুলো দিয়েও দেশে প্রবেশ করতে পারবেন। মোট আন্তর্জাতিক পোর্টের সংখ্যা এখন দাঁড়িয়েছে ৮৮টিতে। এর মধ্যে ৩৭টি বিমানবন্দর, ৩৮টি সমুদ্রবন্দর এবং ১৩টি স্থলবন্দর রয়েছে।

নতুন যুক্ত হওয়া পোর্টগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের আটারি, দাররাঙ্গা, গেদে, ঘোজাডাঙ্গা, হরিদাসপুর, জয়গাঁও, ডাওকি, মোরেহ এবং ভোপাল ও তিরুপতির বিমানবন্দর। এই স্থলবন্দরগুলো মূলত পশ্চিমবঙ্গ, অসম, মেঘালয়, মণিপুর ও পাঞ্জাবের সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত। ভোপাল ও তিরুপতি বিমানবন্দর যুক্ত হওয়ায় মধ্যপ্রদেশ ও অন্ধ্রপ্রদেশে সরাসরি প্রবেশের সুবিধা বাড়বে।

আরও দেখুনঃ ৮০ তম স্বাধীনতা দিবসে প্রথমবারের জন্য লালকেল্লায় প্রাচীরে ধ্বনিত হতে চলেছে ‘বন্দে মাতরম’

সরকার জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ ইলেকট্রনিক ভিসার আকর্ষণ ও ব্যবহারযোগ্যতা আরও বাড়াবে। ভারত ইতিমধ্যেই প্রায় ৯৫ শতাংশ ই-ভিসা আবেদন ৭২ ঘণ্টার কম সময়ে অনুমোদন করে থাকে (e-Visa)। নতুন পোর্ট যুক্ত হওয়ায় পর্যটকদের জন্য বিকল্প প্রবেশপথ বাড়বে। বিশেষ করে স্থলপথে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আসা পর্যটকরা উপকৃত হবেন।এই সিদ্ধান্ত পর্যটন খাতকে চাঙা করতে সাহায্য করবে। সীমান্ত এলাকার অর্থনীতিও উপকৃত হতে পারে।

স্থানীয় ব্যবসা, পরিবহন ও হোটেল খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য ভারত আরও সহজলভ্য হয়ে উঠবে। পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে সংযোগ বাড়বে, যা আঞ্চলিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

আরও দেখুনঃ ছন্দ ফিরল বর্ষা! ট্রাক্টরের বিক্রি ২৮% বেড়ে কৃষি খাতে রেকর্ড

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, নতুন ইমিগ্রেশন ও ফরেনার্স অ্যাক্টের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে (e-Visa)এই পোর্টগুলোকে একই কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। এতে প্রবেশ ও প্রস্থানের প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল হবে। পর্যটকরা এখন আরও বেশি জায়গা থেকে সরাসরি দেশে ঢুকতে পারবেন। এটি ভারতের পর্যটন নীতিকে আরও পর্যটকবান্ধব করে তুলছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *